× Banner
সর্বশেষ
২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে এমইপি গ্রুপ, কর্মসংস্থান হবে ২ হাজার মানুষের আমিরাত বাংলাদেশিদের সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা দেশে হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না – বিমানমন্ত্রী চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর স‌ঙ্গে আইএফআরসির প্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ রপ্তানিতে ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য নির্ধারণ, ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা

সাড়ে ১০ হাজার পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১২ জুন, ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদকঃ দ্বিতীয় এশিয়া প্যাসিফিক ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের (আফটা) অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ চুক্তির সংশোধনীর ফলে আফটার সদস্যভুক্ত দেশগুলোর কাছ থেকে ১০ হাজার ৬৭৭টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই সংশোধনী অনুমোদন করা হয়। জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলার কারণে সচিবালয়ের পরিবর্তে সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে আজ এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এ সম্পর্কে ব্রিফিং করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এন এম জিয়াউল আলম। ব্রিফিংয়ে সচিব জানান, আগের চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ চার হাজার ৬৪৮টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেত। এখন এই সংশোধনী সম্পন্ন হলে ১০ হাজার ৬৭৭টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। পণ্যভেদে ৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

সচিব আরো জানান, এর মধ্যে ভারতের কাছ থেকে পাওয়া যাবে তিন হাজার ৩৮১টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা। এ ছাড়া চীনের কাছ থকে দুই হাজার ৩৭২টি পণ্যের এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে সুবিধা পাওয়া যাবে তিন হাজার ৭৫৭টি পণ্যে।

এ ছাড়া আফটার অন্য সদস্য দেশগুলোর কাছ থেকে বাকি পণ্যগুলোর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে।

আজকের বৈঠকে বাংলাদেশ পানিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন, ২০১৭-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানান সচিব। তিনি বলেন, ইনস্টিটিউটটি ১৯৮৪ সালের এই ধারা অনুযায়ী পরিচালিত হয়ে আসছিল। এটিকে এখন একটি পূর্ণাঙ্গ আইন হিসেবে তৈরি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এটির খসড়ায় আজ নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..