যৌবন কিভাবে ধরে রাখবেন

বিশেষ প্রতিবেদকঃ এই মূলাধার ও স্বাধিষ্ঠান চক্রের সঙ্গে গোনাডস্‌(Gonads)গ্রন্থিগুলি অর্থাৎ শুক্রাশয়(Testes) বা ডিম্বাশয়(Ovaries) সম্পর্কিত।

এই গোনাডস্‌ গরমের দেশে ছেলেদের ১৩ বৎসর বয়সে আর মেয়েদের ১২ বৎসর বয়সে বিকশিত হতে শুরু করে। কিন্তু শীতের দেশে ছেলেদের ১৫ বৎসর বয়সে আর মেয়েদের ১৪ বৎসর বয়সে বিকশিত হতে শুরু করে। এই গ্রন্থি বিকশিত হতে শুরু করলে ছেলেমেয়েদের স্নায়ুকোষ ও স্নায়ুতন্তুতে তার প্রভাব পড়ে ও চিন্তাধারায় পরিবর্তন আসে। এই সময় তাদের মনে কাম প্রবণতাও জাগতে শুরু করে। মানবদেহে গোনাডস্‌ কাজ করা শুরু করলে তাদের মনে এই পরিদৃশ্যমান জগতের প্রতি একটা বিশেষ আকর্ষণ জন্মে। এই কারণে যারা জাতিষ্মর এই বয়সে তাদের মন থেকেও অতীত জীবনের সব স্মৃতি বিলুপ্ত হয়ে যায়। গোনাডস্‌ গ্রন্থি থেকে হর্মোন ক্ষরণ স্বাভাবিক হ’লে,-

*ছেলেমেয়েদের কর্তব্যপরায়ণতা বাড়বে ও
*বৌদ্ধিক বিকাশ হবে।

ছেলেমেয়েদের ১৫ থেকে ১৭ বৎসর বয়সে গোনাডস্‌ যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী সক্রিয় হয় তবে তাদের মধ্যে,-

*বিচারশীল মানসিকতা তৈরী হবে,
*স্বাধীন চিন্তাধারা জাগবে,
*বিশ্বভ্রাতৃত্ব বোধের ভাবনা জাগবে।

আর স্বাভাবিকের চেয়ে কম সক্রিয় হলে তাদের মধ্যে জাগবে,-

*ক্রূরতা, দয়াহীনতা।
*তারা হবে অসামাজিক, ভাবজড়তায় আবদ্ধ।
*তারা হারিয়ে ফেলবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ভাবজড়তার বিরুদ্ধে লড়াই করার নৈতিক সাহস।

মৎস্যেন্দ্রাসন, শলভাসন, যোগমুদ্রা, গোমুখাসন, জানুশিরাসন ও আম্ভসীমুদ্রা নিয়মিত অভ্যাস এই গ্রন্থিগুলির ত্রুটি দূর করতে সাহায্য করে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।