বর্তমান সরকার দুর্নীতি দূরীকরণে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
তিনি জানান, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এড়িয়ে একটি সুগঠিত ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমেই দেশের তরুণ সমাজকে দক্ষ ও কর্মক্ষম হিসেবে রূপান্তর করা হবে। তরুণদের জন্য যথাযথ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে সামাজিক অপরাধ স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কমে আসবে।
আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) আয়োজিত এক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র আয়োজনে এ ছায়া সংসদে সহায়তা প্রদান করে কেয়ার বাংলাদেশ ও এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশ। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবমুখী কারিগরি শিক্ষার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, কেবল সনাতন ডিগ্রি নিয়ে যুবসমাজ যেন বেকার না থাকে, সে লক্ষ্যে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখার প্রধান মাধ্যম হিসেবে খেলাধুলার প্রসারে সরকার বিশেষ নজর দিচ্ছে। তরুণদের খেলার মাঠের সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ চলছে। একই সাথে, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে পাঠ্যক্রমের বাধ্যতামূলক অংশ করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, সরকার যুবশক্তিকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে নানা পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রোগ্রাম, মিনি স্টেডিয়াম স্থাপন, ক্রীড়া ভাতা ও অবকাঠামো আধুনিকায়নের মতো পদক্ষেপগুলো একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
‘দক্ষ যুবশক্তি গঠনে সরকারি খাতের চেয়ে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ বিষয়ক ছায়া সংসদ প্রতিযোগিতায় ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়কে হারিয়ে বিজয় অর্জন করে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সম্মাননা ট্রফি ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

