ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।কুরগাঁওয়ে পরিকল্পিত ভাবে একটি পরিবারের পারিবারিক মন্দির স্থাপনে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগকারী পৌর শহরের ঘোষপাড়ার সত্যজিৎ কুন্ডু জানান,আমার ঘোষপাড়া মহল্লার নিজেস্ব ভিটে-মাটিতে পারিবারিক মন্দির স্থাপন করা কালে মহল্লার কতিপয় মানুষ মন্দির স্থাপনে বাঁধা দিতে অপারগ হয়।তাই তারা কৌশলে এলাকার কিছু মানুষের গণস্বাক্ষর নিয়ে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা সহ বেশ কিছু অফিসে হয়রানীর উদ্দেশ্যে লিখিত অভিযোগ দাখিল করে।
অভিযোগে উল্লেখ করে,আমি আমার পৈত্রিক ভিটা বাড়ির অংশ ছেড়ে না দেওয়ার কারণে আমার সহোদর বিশ্বজিৎ কুন্ডুর সাথে একাধিকবার পারিবারিক বিরোধ হয় এবং আমি এককভাবে ও অনুনমোদিত ভাবে মন্দির নির্মাণ করছি।এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন সত্যজিৎ কুন্ডু।
তিনি বলেন কার্যত জমি নিয়ে ভাইয়ের সাথে আমার কোন বিরোধ নেই এবং আমার ভাই গত ২০/০৬/১৭ইং তারিখে তার অংশ আমাকে লিখে দিয়েছে।
অপরদিকে গণস্বাক্ষরে বেশ কিছু মানুষের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
সরেজমিনে গিয়ে এক স্বাক্ষরকারী এমরানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,উক্ত স্বাক্ষর আমার নয় আর আমি নাম লিখতে ইমরান নয় এমরান ব্যাবহার করি।
অপর এক স্বাক্ষরকারী মাহাবুবুর রহমান খোকন জানান,আমাকে ভুল বুঝিয়ে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছিল। মন্দির নির্মাণে আমার কোন আপত্তি নেই,নিয়ম মাফিক মন্দির নির্মাণ করলে আমরা তাকে সহযোগিতা করবো।
সত্যজিৎ কুন্ডু জানান,পৌরসভা কার্যালয় হতে পৌর মেয়র লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে উভয়পক্ষকে আলোচনার জন্য গত ১৭/০৭/১৭ইং তারিখ বেলা ১২ঘটিকায় পৌর কার্যালয়ে আসার জন্য নোটিশ করেছিল।দূঃখের বিষয় আমি উপস্থিত হলেও তাদের কেউই আসেনি।
সত্যজিৎ কুন্ডুর বড় ভাই বিশ্বজিৎ কুন্ডুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,গত দূর্গাপুজায় সে মন্ডপ করেছিল তাতে আমার কোন আপত্তি ছিলনা।আর পারিবারিক মন্দির হবে এতেও আমার কোন আপত্তি নেই,তাছাড়া আমার অংশটুকু ইতিমধ্যে তার নামে লিখে দিয়েছে।সে তার জমিতে কি করবে এটা তার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়।
এব্যাপারে পৌর মেয়র মির্জা ফয়সল আমিন জানান,ইতিমধ্যে মন্দির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে তাই সেখানে হাত দেওয়া যাচ্ছেনা।তবে আমি উভয় পক্ষের সাথে বসে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করছি।


