মধুমতি ও গড়াই নদীর পানি বৃদ্ধিতে কামারখালী ইউনিয়নে ১০টি গ্রামের মানুষের ঘরবাড়ী পানিবন্দী

মধুখালী প্রতিনিধিঃ মাগুরা ও ফরিদপুর জেলার মধুমতি এবং গড়াই নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে অনা বৃষ্টির কারনে ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নে চরাঞ্চালের ১০টি গ্রামের মানুষ পানি বন্দী হয়ে আছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোস্তফা মনোয়ার সংবাদ শুনে সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় কামারখালী ইউনিয়নের চরকসুন্দি, আড়পাড়া, সরবরাজ, বকসিপুর, গয়েশপুর, চরগয়েশপুর, চরসালামতপুর এবং দয়ারামপুর, ফুলবাড়ী, গন্ধখালী গ্রামের নদীর কুলের কিছু বাড়ীসহ প্রায় ৩৫০(তিনশত পঞ্চাশ) পরিবার পানি বন্দী এবং নদী ভাঙ্গন কবলে আছে ৩০টি পরিবার।এদের মাথাগুজা, চলাচল করা এবং গবাদি পশু নিয়ে এরা চরম বিপদে আছে।

এই সকল গ্রামের গরীব মানুষ কাজকর্ম করতে না পারায় কষ্টের মধ্যে জীবন যাপন এবং অনাহারে অর্ধহারে জীবন যাপন করছে। বর্তমান এদের শুকনা খাবার, বিশুদ্ধপানি,স্যালাইন সহ আরো অনেক কিছু প্রয়োজন।এ ব্যাপারে কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদুর রহমান বিশ্বাস (বাবু) বলেন আমি ইউনিয়ন ঘুরে দেখেছি আমার ইউনিয়নে এই সময় নদীর পানির বৃদ্ধির ফলে ইউনিয়নের মধ্যে ১০টি গ্রামে বন্যা হয়েছে এবং প্রায় ৩৫০পরিবার পানি বন্দী এবং নদী ভাঙ্গন কবলে আছে ৩০টি পরিবার।

তবে অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি পরিমান নির্নয় করা যায়নি। পানি টান দিলে প্রকৃত জানা যাবে। যাহা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়েছে। মোঃ মোস্তফা মনোয়ার নদী ভাঙ্গন ও বন্যা কবলিত পানিবন্দী পরিবার ঘুরেঘুরে পরিদর্শন করেন এবং সবার সাথে কথা বলে সবার সমস্যার কথা শোনেন। এসময় সঙ্গে ছিলেন কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদুর রহমান বিশ্বাস(বাবু), উপজেলা নির্বাহী অফিসের প্রসেস সার্ভেয়ার মোঃ গোলাম মোস্তফা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের কার্যকরী সহকারী মোঃ আকরামূল হক(পলাশ),অফিস সহায়ক মোঃ সিরাজুল ইসলাম,বিশিষ্ঠ সমাজসেবক মোঃ মিজানুর রহমান(বাবলু) সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গ্রামপুলিশ বৃন্দ।সর্বপরি এই মূহুতে গ্রাম গুলোতে ত্রান সামগ্রী একান্ত প্রয়োজন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।