প্রতিটি জেলায় আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ গড়বে সরকার – ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

প্রতিটি জেলায় আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ গড়বে সরকার – ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেছেন, সরকার দেশের প্রতিটি জেলায় আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি করে স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রথম ধাপে ১০টি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সিলেট বিভাগের মধ্যে হবিগঞ্জ জেলায় এ কার্যক্রমের প্রথম ধাপে স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে।

আজ হবিগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, হবিগঞ্জ ও সিলেটের মানুষ অত্যন্ত ক্রীড়াপ্রেমী। আজকের ফাইনাল খেলায় দর্শকদের উপচেপড়া উপস্থিতি প্রমাণ করেছে, খেলাধুলার প্রতি এ অঞ্চলের মানুষের গভীর ভালোবাসা রয়েছে। খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সিলেট বিভাগ সারা দেশের জন্য একটি মডেল হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মোঃ আমিনুল হক বলেন, হবিগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামের গ্যালারিসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের সব জেলা স্টেডিয়াম ও ইনডোর স্টেডিয়াম সংস্কারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হবিগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামের যে অংশে গ্যালারি নেই, সেখানে দ্রুত কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। দর্শকদের যাতে মাঠে দাঁড়িয়ে খেলা দেখতে না হয় এবং গ্যালারিতে বসে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলাধুলা উপভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে গ্যালারি নির্মাণের পাশাপাশি ড্রেসিং রুমসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য অবকাঠামোর উন্নয়ন ও সংস্কার করা হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। হবিগঞ্জের মানুষের ক্রীড়াপ্রেম ও ব্যাপক উৎসাহকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের খেলাধুলাকে আরো এগিয়ে নেওয়া হবে।

হুইপ জি কে গউছ বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে ঐক্য, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য সৃষ্টি করা সম্ভব। রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক সৌন্দর্য হলেও খেলাধুলার মাঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ড. সাখাওয়াত হোসেন জীবন, জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, পুলিশ সুপার মোঃ তারেক মাহমুদ, টুর্নামেন্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আমিনুল ইসলামসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও ক্রীড়া সংগঠক উপস্থিত ছিলেন।

ফাইনাল খেলায় বানিয়াচং ফুটবল একাদশ ১-০ গোলে নুনু এফসি ফুটবল একাদশ, সিলেটকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
ACP
লেখক / প্রতিবেদক

ACP

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।