মাতারবাড়ি প্রকল্প সরকারের বিশাল অর্জন -নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

মহেশখালী (কক্সবাজার), ১৫ মাঘ (২৯ জানুয়ারি) : একনেকে পাস হওয়ার পর মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু হবে। এটি সরকারের বিশাল অর্জন, কারণ এর মাধ্যমে সরকার গভীর সমুদ্র নির্মাণ যুগে প্রবেশ করবে। বলেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ।

 প্রতিমন্ত্রী আজ কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্র বন্দর এলাকা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জুলফিকার আজিজ, নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমডোর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য প্রকৌশল কমডোর শফিউল বারী উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে যারা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য ও অবজ্ঞা করেছে তারাই এখন এর সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলছে। মাতারবাড়ি বন্দর নির্মাণের প্রতিবন্ধকতাকে সরকার চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগে এখন কোনো সমস্যা নেই। মাতারবাড়িতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও অর্থনৈতিক জোন গড়ে উঠবে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বায়নের সাথে সংযুক্ত, সরকার একে উন্মুক্ত করতে চায়।

 উল্লেখ্য, মাতারবাড়ি পোর্ট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট বাস্তবায়নে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৭৭৭ দশমিক ১৬ কোটি টাকা। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এর অর্থায়নে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ মাতারবাড়ি পোর্ট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টটি বাস্তবায়ন করবে। এতে জাইকার ঋণ ১২ হাজার ৮৯২ দশমিক ৭৬ কোটি টাকা, বাংলাদেশ সরকার এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থ ২ হাজার ২১৩ দশমিক ৯৪ কোটি টাকা।

প্রকল্পের মধ্যে অন্যান্য কাজের সাথে প্রায় ২৮ কিলোমিটার চারলেন বিশিষ্ট সড়ক নির্মিত হবে। এতে ১৭টি সেতু থাকবে। ১৭টি সেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় সাত কিলোমিটার। এটি বাস্তবায়িত হলে ১৯ মিটার ড্রাফটের বড় জাহাজ (মাদার ভেসেল) বন্দরে ভিড়তে পারবে। ফলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বন্দরটি বিশাল ভূমিকা রাখবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
লেখক / প্রতিবেদক

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।