ন্যায়সঙ্গত বৈষম্যহীন চাকুরী বিধিমালা তৈরির দাবি বিউবো ডিপ্রকৌস’র

ন্যায়সঙ্গত বৈষম্যহীন চাকুরী বিধিমালা তৈরির দাবি বিউবো ডিপ্রকৌস’র

সুমন দত্ত: বৈষম্যহীন, আইনসম্মত, ন্যায়সঙ্গত এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই পূর্ণাঙ্গ চাকুরী বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ঢাকা রিপোর্টস ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমিতির যুগ্ম-আহ্বায়ক মো: ইখলাখ উদ্দীন আহমদ , সদস্য সচিব মোঃ মাহমুদুল হাসান, যুগ্ম-সদস্য সচিব মোঃ জমির উদ্দীন , সদস্য (অর্থ) মোঃ আবু সালেহ, নির্বাহী সদস্য মোঃ রাসেল সরকার, (মোঃ মাহমুদুল হাসান ) সদস্য সচিব।

ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দাবি

ক) প্রস্তাবিত সার্ভিস রুলস- ২০১৬ পুনর্বিবেচনা করে সার্ভিস রুল—১৯৮২-এর ক্লজ ২৪ পুনর্বহাল করা হোক।
খ) নিয়োগ ও পদোন্নতি তফসিল-২০২৬ আইনগত ভিত্তি যাচাই পূর্বক পুনর্বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হোক।
গ) ফিরোজ কমিশন কর্তৃক প্রস্তাবিত জনবল কাঠামো পুনর্বিবেচনা করে সকল প্রয়োজনীয় দপ্তরে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর পদ সংরক্ষণ এবং Engineering Pyramid পুনঃ প্রতিষ্ঠা করা হোক।
ঘ) পূর্ণাঙ্গ চাকুরী প্রণিধানমালা চূড়ান্ত করার পূর্বে সকল অংশী জনের, বিশেষ করে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় ও পরামর্শের ভিত্তিতে নীতিমালা চূড়ান্ত করা হোক।
ঙ) বিদ্যুৎ বিভাগের স্মারক নং-২৭,০০,০০০০.০৪২.২২.০০১.১৭-১৭৫; তারিখ: ৩০ নভেম্বর ২০২৫ মোতাবেক বিউবো’র নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হোক।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের যৌথ পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতি বিনীত আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, চূড়ান্ত অনুমোদনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট আইন, সরকারি আদেশ, প্রশাসনিক নজির এবং সংগঠনের উপস্থাপিত নীতিগত বিষয়সমূহ পুনর্বিবেচনা করে একটি বৈষম্যহীন, আইনসম্মত ও দীর্ঘমেয়াদি টেকসই পূর্ণাঙ্গ চাকুরী প্রবিধানমালা প্রনয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আরও বলেন, “আমরা পূর্ণাঙ্গ চাকুরী প্রবিধানমালার বিরোধী নই; আমরা একটি বৈষম্যহীন, আইনসম্মত, ও টেকসই পূর্ণাঙ্গ চাকুরী প্রবিধানমালা চাই।”

তারা বলেন, সংগঠন সবসময় শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও আইনসম্মত কর্মসূচিতে বিশ্বাস করে এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানই তাদের প্রথম প্রত্যাশা। তবে নীতিগত বিষয়গুলো যথাযথভাবে বিবেচিত না হলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও সদস্যদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে শান্তিপূর্ণ সাংগঠনিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে এবং প্রয়োজনে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনগত প্রতিকার গ্রহণের বিষয়ও বিবেচনা করা হবে।

পরিশেষে সংগঠন সরকারের প্রতি পুনরায় আহ্বান জানায় যে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশল প্রশাসনের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ, পেশাগত ভারসাম্য এবং প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার কথা বিবেচনা করে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পুনর্বিবেচনা করা হোক এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে উপনীত হোক

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
SDutta
লেখক / প্রতিবেদক

SDutta

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।