সেচ কাজের সুবিধার্থে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর থেকে সিধলাজুড়ি হয়ে ডুমাইন খাল খননের কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে কৃষকরা নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন। বিশেষ করে ইরি-বোরো মৌসুমে এর ফলে জমিতে সেচকাজ পরিচালনা ও অন্যান্য ফষল আবাদ করা সহজলভ্য হবে বলে মনে করছেন কৃষকরা। সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে জানা যায় মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর থেকে সিধলাজুড়ি ও ডুমাইন মাঠ পাড়া পর্যন্ত প্রায় ১৬০০ মিটার খাল খননের কাজ শুরু করা হয়েছে।
এই খাল কাটার পর থেকে খালটি কখনও পুনঃখনন করা হয়নি। ফলে খরস্রোতা খালটি এক পাশের মাটি জমে মরে যায়। পানির অভাবে অনেক জমির বোরো চাষাবাদ বন্ধ হয়ে গেছে। ডুমাইন ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য অজিত কুমার বিশ^াস ও ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, খালটির নাব্যতা সংকটের কারণে বোরো চাষের ওপর নির্ভরশীল চাষিদের পরিবারও চরম সংকটের মধ্যে দিন পার করছিলেন। তবে, খাল খনন হয়ে গেলে ও পানির প্রবাহ ঠিক থাকলে আগামীতে আবারও ক্ষেতগুলো বছরজুড়ে ফসলে ভরে থাকবে। কৃষকের মুখেও হাসি ফুটবে। স্থানীয় কৃষকরা বলেন, দীর্ঘদিন পরে হলেও বর্তমান সরকারের মহতী উদ্যোগে খালটি পুনঃখননের কাজ শুরু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে যতটুকু খাল পুনঃখনন করা হবে তাতেই এখন এলাকাবাসী মরা খালে পানির যৌবন ফিরে আসার স্বপ্ন দেখছেন। খাল খননের ফলে ডুমাইন ও জঙ্গল দুটি ইউনিয়নের গ্রামের হাজার হাজার কৃষক উপকৃত হবেন বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ ব্যাপারে ডুমাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ্ আসাদুজ্জামান তপন বলেন বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার দেশে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে সেচ কাজের জন্য খালগুলো খনন কাজ শুরু করেছে। তারই অংশ হিসেবে খাল খননের কাজ উপজেলা সহ ডুমাইন ইউনিয়নে শুরু রয়েছে। খাল খননের ফলে এই ইউনিয়নের চাষিদের ধান চাষে আর পানির সমস্যা থাকবে না। ভালো ফসল কৃষকরা উৎপাদন করতে পারবে। কাজের মান সরেজমিন দেখে ভালো মনে হচ্ছে। কাজ দেখার জন্য প্রতিদিনই আমাদের লোকজন সহ অফিসের অনেকে তদারকি করছেন।





