ঝিনাইদহ প্রতিনিধি॥ ৩ এপ্রিল’২০১৮ঃ ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ পৌরসভার এক কাউন্সিলর ১১ বছরের স্কুল পড়–য়া এক কিশোরীকে বাল্য বিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিশোরী বেজপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী ও বাকুলিয়া গ্রামের জাহিদ বিশ্বাসের মেয়ে।
এলাকাবাসী জানান, কালীগঞ্জ উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের নাজির হোসেনের ছেলে ইসমাইল এর সাথে বাকুলিয়া গ্রামের জাহিদ বিশ্বাসের ৭ম শ্রেণীতে পড়–য়া মেয়ে জ্যোতি (১১)’র বিয়ে ঠিক হয়। সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাকুলিয়া এলাকার হাইফাউন্ডেশন স্কুলে বিয়ের আয়োজন করা হয়। কালীগঞ্জ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফাইজুর রহমান চুন্নুর উপস্থিতিতে এই বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
এলাকাবাসী আরো জানায়, কাউন্সিলর ফাইজুর রহমান চুন্নু চা খাওয়া বাবদ তিন হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে এই বিয়ে দিয়েছেন। বিয়ে পড়িয়েছেন কালীগঞ্জ খয়েরতলা গ্রামের আরিফ হোসেনের ছেলে পলাশ। তবে টাকা নেওয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে বলেন, বিয়ের কাবিন হয়েছে ২ লাখ টাকা। দুই লাখ টাকার কাবিনে তিন হাজার ৫০০ টাকা সরকারি খবর হয়। তিনি বিয়ের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বলেও দাবি করেন। কোন কাজি বিয়ে পড়িয়েছে তাও তিনি বলতে পারেননি।
কালীগঞ্জ থানার এস আই সম্বিত রায় বলেন, বাল্য বিয়ের খবর পেয়ে তারা সেখানে গিয়েছিলেন। তবে সেখানে যেয়ে মিষ্টির খালি প্যাকেট ছাড়া আর কিছুই পাননি। তাছাড়া মেয়ের বাড়িতে যেয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার রায় বলেন, সেখানে কোন বিয়ে হয়নি। আমি ওসি সাহেব ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে বলেছিলাম। তারা যেয়ে কোন কাউকে পাননি। যদি বিয়ে হয়ে থাকে তাহলে আপনার নিউজ করে দেন। আমি আইনানুগ ব্যবস্থা নিব।



