বিশেষ প্রতিবেদকঃ বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান বলেছেন,এ দেশে আন্দোলন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। তাই আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। আদালতকে সরকার তার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গেছে। তাদের কথা ছাড়া আদালত চলে না। এ জন্য এক জায়গায় দাঁড়াতে হবে। আন্দোলন করে সহায়ক সরকার সৃষ্টি করতে হবে। পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে হবে। তারপর জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে খালেদা জিয়া দুই তৃতীয়াংশের বেশি সিট নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর তারেক জিয়া দেশে ফিরে আসবেন।
রোববার বিকেলে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নিতেস্বর এলাকার দোসাই রিসোর্টে অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপি আয়োজিত প্রতিনিধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমান এসব কথা বলেন।
প্রতিনিধি সমাবেশে উপস্থিত নেতাদের উদ্দেশে লন্ডন থেকে টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান।
জেলা বিএনপির সভাপতি এম এম নাসের রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরো বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) সাখাওয়াত হাসান জীবন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন মিলন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান প্রমুখ।
আমান উল্লাহ আমান সরকারের সমালোচনা করে বলেন, অনেক মায়ের বুক খালি করেছে, অনেককে গুম করেছে তাদের ফেরত দিতে হবে শেখ হাসিনা। তিনি নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারছেন, তিনিও হয়রানির শিকার হবেন, সেদিন আর বেশি দেরি নেই। সারাটা জীবন তাঁকে জেলখানায় কাটাতে হবে।
আমান উল্লাহ আমান বিভিন্ন সময়ে দমন নীতির সমালোচনা করে বলেন, ইয়াহিয়া খান, মোনায়েম খান, এরশাদ, শেখ মুজিব এসব করে টিকে থাকতে পারেন নাই। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও টিকে থাকতে পারবেন না। দিন আসছে, শেখ হাসিনাকে কারাগারে যেতে হবে।
জেলা বিএনপির সহসভাপতি আশিক মোশারফ ও সাংগঠনিক সম্পাদক বকশী মিসবাউর রহমানের যৌথ পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি আলহাজ আব্দুল মুকিত, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন উজ্জ্বল, জেলা যুবদলের নেতা মুজিবুর রহমান মজনু, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রসিক।
উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির সহসভাপতি সালেহ আহমদ খসরু। কোরআন তিলায়াত করেন সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম। প্রতিনিধি সমাবেশে জেলা, উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




