অতিরিক্ত জ্বালানির জন্য বাংলাদেশের চিঠি পেয়ে যা বললেন প্রণয় ভার্মা

অতিরিক্ত জ্বালানির জন্য বাংলাদেশের চিঠি পেয়ে যা বললেন প্রণয় ভার্মা

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে জ্বালানি আমদানির ওপর জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এরই প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ চেয়ে ভারতকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে ভারতকে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি আজ (১১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সরবরাহের জন্য আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছি। আমি এটি গ্রহণ করেছি এবং দ্রুত বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেব। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিন ধরে সহায়তার সম্পর্ক আছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বাংলাদেশে তেল সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে ভারত সরকারকে অনানুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। বিকল্প উৎস হিসেবে আফ্রিকা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল আমদানির বিষয়েও কাজ চলছে। মার্চে কোনো সরবরাহ সংকট নেই। এপ্রিল ও মে মাসের পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।

এর আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা। বাংলাদেশ ভারত থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ আমদানি করে। একই সঙ্গে পাইপলাইনে ও সমুদ্রপথে জাহাজে করে জ্বালানি তেল আমদানি করে। এছাড়া নেপাল থেকে ভারত হয়ে বিদ্যুৎ আমদানি করা হয় দেশে। সাক্ষাতে দুই দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।