× Banner
সর্বশেষ
শিকলবিহীন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যই শিকল ভেঙেছি আমরা – তথ্যমন্ত্রী নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই – প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছা পূরণ রাকিবের, তুললেন সেলফি অস্ট্রেলিয়ার সাথে বাণিজ্য, দক্ষতা উন্নয়ন ও গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিজ্ঞান, ধর্ম ও সমাজের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন – স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য বিমানবন্দরে সমান নিরাপত্তা তল্লাশি – বিমান মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে স্বপ্নপূরণ অনুশ্রীর, মিলল হারমোনিয়াম উপহার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন আগামী ১৬ আগস্ট – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বাবার কবরে শ্রদ্ধা জানালেন জুবাইদা রহমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামী ১০ আগস্ট

পিআইডি

হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে স্থায়ী সমাধানের পথে কাজ করছে সরকার -পরিবেশ উপদেষ্টা

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫

“হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে সরকার স্থায়ী সমাধানের পথে কাজ করছে। এজন্য আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে”—বলেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

সোমবার (২৬ মে) শেরপুরের মধুটিলা ইকোপার্কে হাতি-মানুষ দ্বন্দ্বে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “মানুষ হাতির আবাসস্থল দখল করে নিচ্ছে, ফলে হাতির খাবার কমে যাচ্ছে। ইউক্যালিপটাসসহ বিদেশি গাছ না লাগিয়ে আমাদের হাতির উপযোগী দেশীয় প্রজাতির গাছ লাগাতে হবে।”

উপদেষ্টা আরও বলেন, “হাতির জীবনও গুরুত্বপূর্ণ, মানুষের জীবনও। বন ফিরিয়ে আনতে হবে। সরকার জনগণের প্রতিপক্ষ নয়, বরং সহায়ক। প্রাকৃতিক বন ধ্বংস হলে আমরাও নিরাপদ থাকবো না। বাণিজ্যিক গাছের পরিবর্তে প্রাকৃতিক গাছ রোপণ করতে হবে।”
হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগকে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী। মুখ্য আলোচক ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী রেজা খান। উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান, কেন্দ্রীয় বন অঞ্চলের বন সংরক্ষক এ এস এম জহির উদ্দিন আকন, বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো: ছানাউল্লাহ পাটওয়ারী, বিজিবি কমান্ডার লে. কর্নেল তানভির হোসেন মজুমদার, ইআরটির সদস্য ইমতিয়াজ আলী ও মোহাম্মদ হাসমত আলী।

অনুষ্ঠানে হাতির আক্রমণে নিহত দুই পরিবারকে মোট ৬ লক্ষ টাকা ও ফসল-ঘরবাড়ির ক্ষতিপূরণ বাবদ ১৫ পরিবারকে ৩ লক্ষ ২৭ হাজার টাকা প্রদান করেন উপদেষ্টা। এছাড়া এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যদের মাঝে বাইনোকুলার, টর্চ লাইট, হ্যান্ডমাইক, হুইসেলসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়।

এর আগে উপদেষ্টা শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার দাওধারা গারো পাহাড় পর্যটন কেন্দ্র এবং মধুটিলা রেঞ্জের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাগান প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত হাতি-মানুষ দ্বন্দ্বে মৃত ৪৫ জনের পরিবারকে মোট ৯১ লক্ষ টাকা, আহত ৩৪ জনকে ১০ লক্ষ ৪১ হাজার টাকা এবং ৯০৬ জনের ফসল ও ঘরবাড়ি ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। মোট ক্ষতিগ্রস্ত ৯৮৫ জনকে দেয়া হয়েছে ২ কোটি ৭০ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..