× Banner
সর্বশেষ
সুপ্রিম কোর্টে ২৬৫ আইন কর্মকর্তা নিয়োগ: সংখ্যালঘু না থাকায় প্রতিক্রিয়া ডেপুটি স্পিকারের নামে জাল ডিও পত্র তৈরি, এসি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে মামলা কক্সবাজারে হবে আঞ্চলিক রাসায়নিক পরীক্ষাগার, কমবে মাদক মামলার জট – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্যাসিস্টের ভাষায় বলা হচ্ছে সরকারকে ৫ বছরও যেতে দেয়া হবে না – মির্জা ফখরুল গণমাধ্যমের ওপর কোনো গোয়েন্দা চাপ নেই; দাবি তথ্যমন্ত্রীর বিএনপির নারী এমপিকে আইনি নোটিশ পাঠালেন আসিফ মাহমুদ আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেফতার বিনামূল্যে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সুখবর গণমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ নয়, প্রয়োজন নিয়মতান্ত্রিক কাঠামো: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্বাধীন ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই -মির্জা ফখরুল

হয় সে আমাকে বিয়ে করবে, না হয় এই বাড়িতেই আমার মৃত্যু হবে

ACP
হালনাগাদ: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
হয় সে আমাকে বিয়ে করবে, না হয় এই বাড়িতেই আমার মৃত্যু হবে

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বিয়ের দাবিতে এক যুবকের বাড়িতে ১২ দিন ধরে অনশন করছেন এক তরুণী। ওই তরুণীর নাম নুসরাত জাহান। তাঁর বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ভূয়ারপাড়া গ্রামে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অনশনকারী তরুণী জানান, ব্রাহ্মণপাড়ার পশ্চিম শিদলাই গ্রামের বাসিন্দা আবু কালামের ছেলে আবু সাইদ ওরফে সাইফুল ইসলামের সঙ্গে চার বছর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাঁর পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে প্রেম, তারপর ধীরে ধীরে সম্পর্ক গভীরে যায়। দুই বছর ধরে ঢাকায় তাঁদের নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ চলছিল। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়েছিলেন আবু সাইদ।

নুসরাত জাহান বলেন, ‘১২ দিন আগে বিয়ের কথা বলে তাঁকে কুমিল্লার দেবিদ্বারের চড়বাকর এলাকার এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যান আবু সাইদ। সেখানে দুই দিন থাকার পর কাউকে কিছু না জানিয়েই চলে যান তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির ঠিকানা সংগ্রহ করে তাঁর বাড়িতে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সে আমাকে বিয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছে। এখন সে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। হয় সে আমাকে বিয়ে করবে, না হয় এই বাড়িতেই আমার মৃত্যু হবে।’

স্থানীয়রা জানান, ১২ দিন ধরে অবস্থান করে বিয়ের দাবি জানিয়ে আসছেন ওই তরুণী। আবু সাঈদ ও তাঁর পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন।

শিদলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম আকবর আলাউল বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর উভয় পক্ষকে ডেকে সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু সম্ভব হয়নি।’

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা লুৎফা ইয়াসমিন বলেন, ‘খবর পেয়ে তরুণীর সঙ্গে কথা বলেছি। অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে নিরাপদ আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি প্রেমিকের বাড়ি ছেড়ে যেতে রাজি হননি।’


এ ক্যটাগরির আরো খবর..