বঙ্গবন্ধু হত্যা, জেল হত্যা এবং ২১ আগস্টে গ্রেনেড মেরে নেতাকর্মীদের হত্যাকারী বিএনপি। তাই বাংলার হত্যার যে রাজনীতি, তার প্রধান হোতা হচ্ছে বিএনপি। বাংলার হত্যার রাজনীতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চিরতরে বন্ধ করতে হবে এবং সেই লড়াই আমাদের চলছে বলেও মন্তব্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ড হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারের হত্যা। ৩ নভেম্বর জেলের অভ্যন্তরে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা ছিল ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতা। এই হত্যার অপরাজনীতির ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালে ২১ আগস্টে ২৩টি তাজা প্রাণে রক্তাক্ত হয় বঙ্গবন্ধু এভিনিউ। তাদের প্রধান টার্গেট ছিল তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
গত ৩১ অক্টোবর জেল হত্যা দিবসকে জাতীয় শোক দিবস করার দাবিতে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বরাবর স্মারকলিপি দেন সোহেল তাজ। জেল হত্যা দিবসকে জাতীয় শোক দিবস করতে জাতীয় চার নেতার অন্যতম তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে তানজিম আহমেদ সোহেল তাজের দাবি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, সে দাবি করতেই পারে। এটা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের বিষয়।





