স্মার্ট নাগরিকরাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে -টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

স্মার্ট নাগরিকরাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে -টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ডিজিটাল দক্ষতাসম্পন্ন মানব সম্পদই হবে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের হাতিয়ার। স্মার্ট নাগরিকরাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। এজন্য প্রচলিত শিক্ষার সাথে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করার উপযোগী স্মার্ট শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা অপরিহার্য। বলেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মন্ত্রী  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা অনুষদের প্রফেসর হাবিবুল্লাহ হলে অ্যাকসনিস্ট ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য নেতৃত্বের দক্ষতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী নতুন প্রজন্মকে অত্যন্ত মেধাবী আখ্যায়িত করে বলেন, আমাদের সম্পদের নাম হচ্ছে মানুষ। আমরা তাদেরকে সম্পদে পরিণত করে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বা যান্ত্রিক শিল্পবিপ্লব নয়, আমরা একটি মানবিক শিল্পবিপ্লব বা পঞ্চম শিল্পবিপ্লব বাস্তবায়নে কাজ করছি। প্রথম ও দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লব মিস করে প্রযুক্তিতে ৩২৪ বছরের পশ্চাৎপদতা অতিক্রম করে মানুষ এবং যন্ত্রের মিশেলে এই মানবিক শিল্প গড়ে তোলা  আমাদের  লক্ষ্য। তিনি বলেন, ডিজিটাল সংযুক্তি হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের মেরুদণ্ড। ২০২১ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভের ধারাবাহিকতায় ডিজিটাল সংযুক্তির শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে  স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করছে সরকার। তিনি বলেন, সারা পৃথিবীর সেরা লাইব্রেরি হচ্ছে ইন্টারনেট। এটির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে তা কাজে লাগাতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, বঙ্গবন্ধু কেবল বাঙালি জাতি রাষ্ট্রই প্রতিষ্ঠা করেননি, তাঁর জন্যই ভাষাভিত্তিক বাংলা রাষ্ট্রের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সময়ে বঙ্গবন্ধু বেতবুনিয়ায় উপগ্রহ ভূকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, টিঅ্যান্ডটি বোর্ড গঠন এবং আইটিইউ ও ইউপিইউর সদস্য পদ অর্জনের মাধ্যমে কৃষিভিত্তিক পশ্চাৎপদ এ জনগোষ্ঠীকে ইন্টারনেট ভিত্তিক তৃতীয় শিল্পবিপ্লবে অংশ গ্রহণের ভিত্তি বঙ্গবন্ধু স্থাপন করেন।  মন্ত্রী স্মার্ট মানব সম্পদের জন্য ডিজিটাল মানব সম্পদ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, স্মার্ট নাগরিক হওয়ার জন্য কম্পিউটার বিজ্ঞানি কিংবা মহাকাশ বিজ্ঞানি হওয়ার প্রয়োজন নেই, দরকার ন্যূনতম ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত এই দেশটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বে যে রূপান্তর ঘটেছে তা অব্যাহত রাখতে হবে। এই লক্ষ্যে তিনি সবাইকে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।

অ্যাকসনিস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এএনএম ফকরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স ড. বার্নড স্পেনিয়ার, এটুআই কর্মকর্তা মানিক মাহমুদ এবং অ্যাকসনিস্ট ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি রাইসা নাসের বক্তৃতা করেন।

বক্তারা স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।