× Banner
সর্বশেষ
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করতে পারেন, দাবি রয়টার্সের টিপকাণ্ডে বরখাস্ত কনস্টেবল নাজমুল তারেককে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত

মাহমুদ খান, সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটে ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ, আরও দুজনের মৃত্যু

Dutta
হালনাগাদ: সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
sylet

সিলেটে বিরতি ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে চারে দাঁড়ালো। নিহত দুইজন হলেন, সিলেট সদর উপজেলার জাঙ্গাঈল গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে তারেক আহমদ (৩২) ও সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার কাদিরগাঁও গ্রামের বাদল দাস (৪০)। ১৮ আগস্ট সোমবার রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতাল সূত্র জানায়, দগ্ধদের মধ্যে তারেক আহমদ ১৭ সেপ্টেম্বর রোববার দিনগত রাতে এবং সোমবার সকালে বাদলের মৃত্যু হয়। বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম বলেন, আগুনে তারেক ও বাদলের দেহের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ১১ সেপ্টেম্বর সোমবার রাতে সিলেট বিমানবন্দর থানার কোরবানটিলা এলাকার বাসিন্দা রুমেল সিদ্দিক ও ১২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে টুকেরবাজার এলাকার ইমন আহমদ (৩২) একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

এর আগে, ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটের দিকে সিলেট নগরের পূর্ব মিরাবাজার বিরতি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের জেনারেটর কক্ষের একটি সেফটি বাল্ব বিস্ফোরিত হয়। এতে ওই কক্ষে আগুন লেগে নয়জন দগ্ধ হন। দগ্ধদের মধ্যে ম্যানেজারসহ সাতজন ওই স্টেশনে কাজ করতেন এবং দুইজন পথচারীও রয়েছেন। পরে হতাহতদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন ৬ সেপ্টেম্বর দগ্ধ নয়জনকে ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। দগ্ধদের শরীরে ১৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত পুড়ে গেছে বলে হাসপাতালের চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানান স্বজনরা।

এ ব্যাপারে ফিলিং স্টেশনের মালিক আফতাব আহমদ লিটন দাবি করেন, সন্ধ্যার পর কার্যক্রম শেষ করে সবাই পাম্প বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় স্টেশনের জেনারেটর কক্ষের একটি সেফটি বাল্ব বিস্ফোরিত হয়। এতে ওই কক্ষে আগুন লেগে দুইজনের মৃত্যু হয় এবং আজ আরও দু’জনের মৃত্যু হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..