শ্বশুরের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন জামাতা

বিশেষ প্রতিবেদকঃ ‘শ্বশুর প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আবার মামলার ভয় দিচ্ছে’ এমন অভিযোগ তুলে বিচারের দাবিতে রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন করেন তিনি। এর আগে আইন সহায়তা কেন্দ্রেও (আসক) অভিযোগ দিয়েছেন জামাতা।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী, পরিবারের সদস্যেরা, আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশনের চিফ কো-অডিনেটর ফিরোজা নাজমীন, পরিচালক মো. আতাউর রহমানসহ অনেকেই।

নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার চরবহুলী গ্রামের সৈয়দ আলীর ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম। ময়মনসিংহ জেলার গৌরিপুর থানার মাইলাকান্দার শাহিনা আক্তারকে ২০১৪ সালের ৬ জুন ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক বিয়ে করেন। শ্বশুরের নামও মো. শহিদুল ইসলাম। যিনি পেশায় একজন মাদ্রাসা শিক্ষক।

মানববন্ধনে জামাতা শহিদুল ইসলাম বলেন, বিয়ের পর থেকেই ক্রমাগত ঘুমের ওষুধ খেতো শাহিনা আক্তার। বিয়ের একমাস পর বিষয়টি ডাক্তারকে জানালে পরীক্ষা করে বলেন শাহিনা আক্তার মানসিকভাবে অসুস্থ। এরই মধ্যে শ্বশুর তার মাদ্রাসায় সুপারের পদ খালি হয়েছে এবং তিনি ওই পদে যেতে চান এ কথা বলে তার কাছে ছয় লাখ টাকা ধার চান। তিনি কষ্ট করে সে টাকার ব্যবস্থা করে দেন। যদিও পরবর্তীতে জমি বিক্রি করে টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও সে টাকা আর শ্বশুর পরিশোধ করেননি। এরইমধ্যে শাহিনা আক্তার প্রায়ই না বলে বাবার বাড়ি কিংবা কখনো বন্ধুদের বাড়িতে চলে যেত। আত্মহত্যা করতে চাইতো। এ কারণে তিনি রমনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী স্ত্রী শাহিনা আক্তারকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে চাইলেও তা করতে দেননি শ্বশুর। উপরন্তু পাওনা টাকা না দিয়ে দেনমোহরের টাকার জন্য জামাইয়ের নামে আদালতে একটি মামলা করেন। এর প্রেক্ষিতে স্ত্রীকে নিয়ে সুখে ঘর করার আশায় ও স্ত্রীকে সুস্থ করার জন্য তিনি একটি মামলা করেন, যার নং-১৪/২০১৬। মামলা হবার পর থেকেই ক্রমাগত শ্বশুর তাকে হুমকি দিচ্ছেন। মূলত ছয় লাখ টাকা আত্মসাতের জন্যই তার মেয়ের চিকিৎসা করাতে দেননি বলেও মানববন্ধনে অভিযোগ করেন শহিদুল। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী জামাতা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।