শেখ হাসিনা ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ডের লোগো উন্মোচন

শেখ হাসিনা ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ডের লোগো উন্মোচন

১৯ অক্টোবর, ২০২০: শেখ হাসিনা ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ডের লোগো উন্মোচন করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল, এমপি।

আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় স্পোর্টস কাউন্সিল মিলনায়তনে মিডিয়া ব্রিফিং ও লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিগণের সশরীর ও ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে লোগো উন্মোচন করেন তিনি।

করোনাকালীন সংকটময় মুহূর্তে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ এবং বৈশ্বিক যুবাদের অনন্য মানবিক অবদানের স্বীকৃতি দিতে ‘ঢাকা ওআইসি ইয়্যুথ ক্যাপিটাল ২০২০’-এর অধীনে প্রথমবারের মত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নামে ‘শেখ হাসিনা ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২০’ চালু হচ্ছে, যার মাধ্যমে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যুবকদের একক ও দলীয়ভাবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার, সার্টিফিকেট ও সম্মাননা প্রদান করবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালটি আমাদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেননা এ বছর আমরা আমাদের জাতির পিতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন করছি। যে কোন আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু যে অসীম সাহস প্রদর্শন করেছেন তা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিশেষ করে যুবসমাজের জন্য আজও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে।

এ সময় তিনি করোনাকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক দেশের যুব সমাজের উন্নয়নে গৃহীত নানাবিধ কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরে বলেন। গৃহীত কার্যক্রমের মাধ্যমে ৫ বছরে ১২ লক্ষ ৫ হাজার যুবকের আত্মকর্মসংস্থান এবং কর্মসংস্থান লক্ষ্যে প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়াও ই-কমার্স প্লাটফর্ম যুব পাইকারিসেল ডট কম, যুব ব্র্যান্ডিং ইত্যাদি উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় ৩ লক্ষ ২০ হাজার তরুণকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি ৩ লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে এবং এই প্রকল্পসমূহের মাধ্যমে ৫০ লক্ষের অধিক খামারি ও যুব উদ্যোক্তা সরাসরি উপকৃত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনাব মাসুদ বিন মোমেন তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে অ্যাওয়ার্ডটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে দেয়া হচ্ছে যিনি তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশকে দারীদ্রপ্রবণতা হতে মুক্ত করেছেন। তিনি বলেন বাংলার সভ্যতা ঐতিহ্যগতভাবেই মানবতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং ইসলামী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ভিত্তির উপর স্থাপিত।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে যোগদান (ভার্চুয়াল) করেন, জনাব, তাহা আইহান, প্রেসিডেন্ট, ইসলামিক কো-অপারেশন ইয়্যুথ ফোরাম (ICYF) তিনি তার বক্তব্যে ইভেন্টের সফলতা কামনা করেন এবং তিনি মনে করেন যে, শেখ হাসিনা ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড যুব স্বেচ্ছাসেবা কার্যক্রমকে আরো বেগবান করবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মো. আখতার হোসেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নামে প্রচলন করা এই অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননাকে সফল ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা ও এর মাধ্যমে যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একটি দেশের যুবসমাজকে সাধারণত দেশের ভবিষ্যৎ হিসেবে গণ্য করা হয়, কিন্তু এই কোভিড পরিস্থিতির সময়ে আমরা দেখেছি যে এই যুবসমাজ যে শুধু ভবিষ্যৎ নয়, বর্তমানও। এই সময়ে তারা দেখিয়েছে কিভাবে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হয়।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ৫ কোটি ৩০ লক্ষের একটি যুবসমাজ রয়েছে যারা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ সকল লক্ষ্যসমূহ যেমনঃ ২০২৪ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উন্নীত হওয়া, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাসমূহ অর্জন করা এবং ভিশন-২০৪১ অর্থাৎ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে আবির্ভূত হওয়া; এই লক্ষ্যসমূহ অর্জনে এই যুবসমাজই প্রধান শক্তি। তিনি তার বক্তব্যে যুবকদের কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মন্ত্রণালয়ের গৃহীত নানাবিধ কর্মকান্ডের চিত্র তুলে ধরেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
সংবাদ প্রতিনিধি

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।