× Banner
সর্বশেষ
আজ ৮ আগস্ট (শনিবার) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে পেটে ঢুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা,আটক গাজীপুরের তরুণী টেপ বল ক্রিকেটকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে – যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাত মন্ত্রণালয়ের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন শনিবার চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি দুর্ঘটনায় পেহেলির অকাল মৃত্যুতে মা-বাবার ভবিষ্যৎ স্বপ্নের সমাধি জুলাই আন্দোলনের ত্যাগকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে – তথ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ – পানি সম্পদ মন্ত্রী সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নারায়ন দেবনাথ

শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার কথা মমতাকে মনে করিয়ে দিয়েছে প. বঙ্গের ছাত্রসমাজ

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৪
মমতাকে মনে করিয়ে দিয়েছে

বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনে হাসিনা সরকারের পতনের পর প:বঙ্গের ছাত্রসমাজ চেয়েছিলো একই কায়দায় মমতা সরকারকে ফেলে দিতে। যেভাবে ঢাকায় ছাত্ররা ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু গণভবন ঘেরাও করে হাসিনাকে পালাতে বাধ্য করেছিলো। ঠিক তেমনি ভাবে গতকাল ছাত্ররা মমতার ক্ষমতার প্রশাসনিক ভবন ‘নবান্ন’ ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দিয়েছিলো। কিন্তু সফলতা পায়নি।
কারণ ঢাকার আন্দোলনে ছাত্ররা যেভাবে অগ্নিসংযোগ করে জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করে সরকার পতন নিশ্চিত করেছে সে তুলনায় প:বঙ্গের ছাত্রসমাজ কোন ধরনের সহিংসতার আশ্রয় নেয়নি। গনতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারা অনুসরণ করে তারা কোন ধরনের ধ্বংসাত্মক কাজ করেনি। জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করে যেকোন ধরনের আন্দোলন ভারতীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী।
ভারতের যেখানেই আন্দোলনে ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে সেখানেই একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা ছিলো। যার সাথে বাংলাদেশের রাজনৈতিক আন্দোলনের যোগসাজশ লক্ষ করা যায়।শুধু বাংলাদেশ নয় পৃথিবীর যেখানেই প্রতিবাদে হত্যা ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ লুটপাটের ঘটনা ঘটে সেখানেই এই বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষদের সম্পৃক্ততা প্রমানিত।তাই নবান্ন ঘেরাওয়ের আন্দোলন সফল হয়নি। তবে এই আন্দোলনে ছাত্রদের মনোবল বেড়েছে যা আগামী দিনে আন্দোলন আরো দৃঢ়তর হবে।
প:বঙ্গের ছাত্রদের অস্ত্র ছিলো জাতীয় পতাকা ও মনোবল। ছাত্রদের এই আন্দোলন নিষিদ্ধ করার জন্য মমতা সরকার সুপ্রিমকোর্ট এবং হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলো। কিন্তু প্রধান বিচারপতি আন্দোলনে কোন নিষেধাজ্ঞা দেয়নি।
গতকালের আন্দোলনে ছাত্রদের প্রতিপক্ষ ছিলো পুলিশ কাঁদানেগ্যাস জলকামান আর রাস্তায় ব্যারিকেড। পুলিশ ছাত্রদের বেধরক লাঠিপেটা করেছে সেই তুলনায় ছাত্ররা ছিলো তুলনামূলক শান্ত। পুলিশ ছাত্রদের প্ররোচিত করেছে কিন্তু ছাত্ররা ফাঁদে পা দেয়নি।
ছাত্রদের আন্দোলনের তারিখ ঘোষণার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঢাকার গনভবনে লুটপাট এবং ধ্বংসাত্মক ঘটনার প্রেক্ষিতে ভয় পেয়ে গিয়েছিলো। মমতা নিজেকে খুব প্রভাবশালী মনে করে কিন্তু এবারের আন্দোলন তার প্রভাবে গুন ধরিয়ে দিয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..