শিক্ষকরা কোচিং বাণিজ্য চালাতে পারবে না: হাইকোর্ট

গত ২৭ জানুয়ারি কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালা ও এর সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রশ্নে জারি করা রুলের শুনানি শেষ করা হয়। ওই রুলের ওপর রায় ঘোষণা করেন আদালত।

সরকারি ও বেসরকারি স্কুল কলেজের শিক্ষকরা কোচিং বাণিজ্য করতে পারবেন না বলে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালাসহ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সরকারের নেয়া পদক্ষেপের পক্ষে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট ।

আজ বৃহস্পতিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

রায়ের পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান জানান, আদালতের কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারের নীতিমালা বৈধ ঘোষণা করায় এ বাণিজ্য বন্ধ হলো। এ কারণে ক্লাসে পাঠদানের বাইরে মাসে ১৭৩ টাকা করে যে অতিরিক্ত ক্লাস নেয়ার বিধান করা হয়েছে তার বাইরে কোনো কোচিং করাতে পারবেন না শিক্ষকরা।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশিদ আলম খান। আর এক রিটকারীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম ও ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর। অ্যামিকাসকিউরি ছিলেন অ্যাডভোকেট ফিদা এম কামাল।

কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না, সেজন্য সরকার ২০১৮ সালে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ নোটিশ দেয় সরকার।

এসব নোটিশ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালা-২০১২ নিয়ে শিক্ষকরা হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। আদালত ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই চিঠির কার্যকারিতা চার মাসের জন্য স্থগিত করেন। পাশাপাশি রুল জারি করেন আদালত।

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।