× Banner
সর্বশেষ
সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’ বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে – আফরোজা নতুন কুঁড়ি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন সিলেট-রংপুর নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে – মহিলা পরিষদ কালীগঞ্জের পত্রিকা বিতরণকারী জাহাঙ্গীরের মৃত্যু

শার্শা প্রতিনিধি

শার্শার গোগায় আধিপত্য বিস্তারে বিএনপির দু গ্রুপে সংঘর্ষ, আতঙ্কে ঘর ছাড়া ২০ টি পরিবার! 

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
বিএনপির দু গ্রুপে সংঘর্ষ

যশোরের শার্শায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে দলীয় অফিস ভাঙচুর, একাধিক বোমা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দু’জন আহত হয়েছেন। আহররা হলেন, অগ্রভুলোট গ্রামের রওশান আলীর ছেলে আতিয়ার (৫৮) ও একই গ্রামের সৈয়দ আলী গাইনের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৫৫)। তারা দুজন হামিদ গ্রুপের সমর্থক।
ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়নের অগ্রভুলোট বাজারে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, গোগা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি সরোয়ার হোসেনের কর্মি বাবলুসহ বেশ কয়েকজন একটি পাওনা টাকার সালিশ করছিলেন। এতে বাধা দেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ সরদারের সমর্থকরা। এরই জের ধরে সোমবার রাতে অগ্রভুলোট বাজারে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়।এ ঘটনায় গোগা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ সরদার গ্রুপের সমর্থক আতিয়ার রহমান ও শরিফুল ইসলাম  নামে দুইজন ব্যক্তি আহত হন।এ খবর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ সরদারের সমর্থকদের কাছে ছড়িযে পড়লে। পরে সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদের এক থেকে দুইশ কর্মীরা অগ্রভুলোট বাজারে সহ-সভাপতি সরোয়ারের কর্মি বাবলুর দলীয় অফিস, চেয়ার, টেবিলসহ সকল প্রকার আসবাবপত্র  ভাঙচুর করে। পরে তার সমর্থক আবু শামা,শাহ আলম,কবির হোসেন সহ প্রায় ৫ /৬ জনের বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর, বোমা বিস্ফোরণ, ও গুলিবর্ষণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছে।এদিকে এ ঘটনার পর থেকে সরোয়ার মোল্লার সমর্থকের প্রায় ২০ টি পরিবার বাড়ি ছাড়া রয়েছে।
গোগা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি সরোয়ার হোসেন বলেন, দুই পক্ষের মারামারির পরে হামিদ সরদারের নেতৃত্বে দুই থেকে তিনশ দুর্বৃত্তরা রাত ১১ টার দিকে প্রথমে অগ্রভুলট বাজারে দলীয় অফিস ভাঙচুর করে। পরে ৮ থেকে ১০ টি বাড়িতে ভাঙচুর, একাধিক বোমা বিস্ফোরণ ও গুলি বর্ষণ করে ভয়-ভীতি দেখিয়ে  নগদ টাকা ও স্বর্ণ অলংকার লুটপাট করে নিয়ে চলে যায়। বর্তমানে আমিসহ গ্রামের মানুষেরা আতঙ্কে জীবন যাপন করছেন।
এ ব্যাপারে গোগা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আব্দুল হামিদ সরদার জানান,
আমি কিছু জানি না, সকালে এসে শুনি আমার কর্মীরা নাকি বোমা হামলা ও ভাঙচুর করেছে। যেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন, যারা বিগত দিনে আওয়ামী লীগের সাথে রাজনীতি করেছে, তারাই এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে নাভারণ সার্কেলের এসপি নিশাদ আল নাহিয়ান জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থল যায়। এসময় উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এলাকাই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে ও পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।  বিজিবিকে অবহিত করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান আছে বলে তিনি জানান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..