শক্তি হারিয়ে উপকূলে আঘাত হানা শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় হামুন

শক্তি হারিয়ে উপকূলে আঘাত হানা শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় হামুন

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ শক্তি হারিয়ে উপকূলে আঘাত হানা শুরু করেছে। ঘূর্ণিঝড়টি আগামী ১০ ঘন্টায় কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দিয়ে উপকূল অতিক্রম শুরু করবে।

আজ মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানা শুরু করে। এটি ভোর ৪টার মধ্যে উপকূল অতিক্রম শেষ করতে পারে। আবহাওয়ার ১৩ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন জানান, সন্ধ্যার পর ঘূর্ণিঝড়ের মূল অংশ উপকূলের উঠে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এতে শক্তি হারিয়ে ঝড়ের কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ নেমে আসে ৯০ কিলোমিটারের নিচে। আগামী ১০ ঘণ্টার মধ্যে এটি পুরোপুরি স্থলভাগে উঠে আসবে। বুধবার আরও শক্তিক্ষয় করে পরিণত হবে নিম্নচাপে।

‘হামুন’কে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় বলা হলেও বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানার আগে শক্তি হারায় ঘূর্ণিঝড়টি। এটি আরও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে কুতুবদিয়ার কাছ দিয়ে পরবর্তী ৮-১০ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করতে পারে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতের সতর্কতা হিসেবে কক্সবাজার বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠা-নামা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কক্সবাজারে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এরই মধ্যে উপকূলের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
সংবাদ প্রতিনিধি

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।