রাবার ও রাবারভিত্তিক শিল্পের প্রসারে আন্তরিকভাবে কাজ করছে সরকার -পরিবেশমন্ত্রী

রাবার ও রাবারভিত্তিক শিল্পের প্রসারে আন্তরিকভাবে কাজ করছে সরকার -পরিবেশমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার রাবার ও রাবারভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও প্রসারে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, জাতীয় অর্থনীতিতে রাবার শিল্পের অবদান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে উৎপাদিত উন্নতমানের রাবার অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট রাবার ও রাবারভিত্তিক শিল্পের সম্প্রসারণ ও বিকাশের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের গবেষণা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পাদন করেছে। এ খাতের উন্নয়ন হলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে, বেকার সমস্যা সমাধানে ভূমিকা পালন করবে। বলেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন।

          আজ চট্টগ্রামে এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম মাঠে বাংলাদেশ রাবার বোর্ডের আয়োজনে ১ম প্রাকৃতিক রাবার ও রাবারভিত্তিক শিল্পপণ্য মেলা, ২০২২ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

          উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রাবার বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দা সারওয়ার জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আশরাফ উদ্দিন, বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. রফিকুল হায়দার এবং এফবিসিসিআই পরিচালক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।

          মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন প্রায় ৪০ হাজার একর জমিতে ১৮টি রাবার বাগান সৃজন করেছে। বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকারি ৩৩ হাজার একর জমি রাবার চাষের জন্য লিজ দেয়া হয়েছে। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটিসহ দেশের ১২টি জেলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ১৩ হাজার ২শত একর জমিতে রাবার চাষের উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কাজ করছে রাবার বোর্ড। এ সময় রাবার চাষের সাথে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সংগঠিত হয়ে এ খাতটির উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

          শাহাব উদ্দিন বলেন, রাবার বোর্ড বাগান মালিক, ম্যানেজার ও টেপারদের প্রশিক্ষণ প্রদান, ক্লোন আমদানি, বিদেশের সাথে যৌথ বিনিয়োগের লক্ষ্যে গড়ট সম্পাদন করেছে। তিনি সরকারি জমি ইজারা নেয়া ব্যক্তিদের আন্তরিকতার সাথে রাবার চাষ করার জন্য আহ্বান জানান। সিনথেটিক রাবার আমদানি না করে দেশীয় প্রাকৃতিক রাবার ব্যবহারের জন্যও রাবারভিত্তিক শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। মন্ত্রী বলেন এতে কার্বন শোষণের পরিমাণ বাড়বে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাস করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। ফলে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় গ্লোবাল কার্বন ট্রেডিং এবং এনভায়রনমেন্টাল ফান্ড থেকে সহায়তা নেওয়া সম্ভব হবে।

          উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পর মন্ত্রী মেলার স্টলে রাবার ও রাবারজাত পণ্য ঘুরে দেখেন। মেলা ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
লেখক / প্রতিবেদক

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।