যে জন্য ডি ভিলিয়ার্সের বেঁচে থাকা

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ। সেটাও আবার এমন একটা সিরিজ, যেটিতে প্রথম দুই ম্যাচে হেরে যাওয়ার পর সমতা ফিরিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। অথচ পঞ্চম ম্যাচে ইংল্যান্ডের ২৩৬ তাড়া করতে নেমে ২২ রানেই ৩ উইকেট নেই প্রোটিয়াদের! ক্রিজে অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স। পারবে কি দক্ষিণ আফ্রিকা? নাকি আগের ঘুরে দাঁড়ানোর দুর্দান্ত গল্পটার বিয়োগান্ত সমাপ্তি হবে?
বুঝতেই পারছেন, পরশু কেপটাউনে কী ভীষণ চাপে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক! শেষ পর্যন্ত ৯৭ বলে অপরাজিত ১০১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন, ম্যাচটাও জিতিয়েছেন সব চাপ উড়িয়ে দিয়েই। আবার জয়ের পর ডি ভিলিয়ার্স যা বলেছেন, সেটাও কম রোমাঞ্চকর নয়, ‘এ রকম চাপের মুহূর্তগুলোর জন্যই তো বেঁচে থাকা!’
কীভাবে এই চাপ জয় করার মন্ত্রটা শিখলেন? আর কেমন লাগে ওই সব মুহূর্তে ব্যাট করতে? ডি ভিলিয়ার্স বলেছেন সেটিও, ‘এ রকম চাপের মুহূর্তে স্বচ্ছন্দ হতে আমার অনেক বছর লেগেছে। এখন আমার মনে হয়, আমি এ ধরনের পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারি। স্নায়ুচাপের ম্যাচে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারা নিয়ে আমি সত্যিই গর্বিত।’
চাপ কতটা উপভোগ্য হয়ে উঠেছে ডি ভিলিয়ার্সের জন্য, সেটার প্রমাণ অবশ্য পরিসংখ্যানেও। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এরই মধ্যে ২৪টি সেঞ্চুরি হয়ে গেছে তাঁর, এর মধ্যে ২০টি সেঞ্চুরিতেই দল জিতেছে। তাঁর সেঞ্চুরির পরও দল হেরেছে মাত্র ৩টি ম্যাচে, অন্য একটি ম্যাচে ফল হয়নি। শুধু তা-ই নয়, ২৪টি সেঞ্চুরির ইনিংসেই ডি ভিলিয়ার্সের স্ট্রাইক রেট ছিল ১০০-এর বেশি।
চাপ উপভোগ করেন—এ কথা তো বলতেই পারেন ডি ভিলিয়ার্স!

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।