বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা ভারতের মিত্রবাহিনীর সদস্যদের তালিকা, মুজিব বাহিনীর সদস্যদের তালিকা, শরণার্থী শিবির, ট্রেনিং ক্যাম্প ও যুদ্ধকালীন সেবাদানকারী ভারতের হাসপাতালের তালিকা আংশিক থাকলেও পূর্ণাঙ্গ তালিকা বাংলাদেশের কাছে নেই। মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সংরক্ষণের স্বার্থে এসব তালিকা বাংলাদেশকে সরবারহের বিষয়ে মন্ত্রী হাইকমিশনারের সহযোগিতা কামনা করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
আজ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে তাঁর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার Vikram K Doraiswami সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তাঁরা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভুমিকা এবং দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
মন্ত্রী নবনিযুক্ত হাইকমিশনারকে বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকার এবং সেদেশের জনগণের সহায়তার কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সদস্যদের অবদান স্মরণে বাংলাদেশ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করছে বলে মন্ত্রী ভারতীয় হাইকমিশনারকে অবহিত করেন।
ভারতীয় হাইকমিশনারের পিতা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মিত্রবাহিনীর সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করেছিলেন জানিয়ে হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পরীক্ষিত। মিত্রবাহিনীর স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ বাংলাদেশ ভারত বন্ধুত্বকে আরো দৃঢ় করবে বলে হাইকমিশনার উল্লেখ করেন। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সংরক্ষণের ব্যাপারে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
ভারতীয় হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ণ উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বিশ্বনেতা। বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতীয় জনগণও বঙ্গবন্ধুকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করে। ২০২১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণের আনন্দের অংশীদার হতে ভারত ইচ্ছুক বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। পিআইডি।





