× Banner
সর্বশেষ
বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক -বাণিজ্যমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন বিধিনিষেধ, এমপিও শিক্ষক ও ঋণখেলাপিরা অযোগ্য মোদির পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে কংগ্রেসের বিক্ষোভ, শিক্ষার্থী আন্দোলনে পুলিশি ব্যবহারের প্রতিবাদ আট অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ভ্যালু-বেইজড শিক্ষা, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ-প্রাথমিক শিক্ষার নতুন অগ্রাধিকার -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীদের জন্য হয়রানীমুক্ত বিমান সেবা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধ পরিকর -বিমান মন্ত্রী ২০২৭ সালের হজে বিমান ভাড়া কমলো ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা লক্ষ্মীপুরে সড়ক সংস্কার কাজে দায়িত্বে অবহেলায় ৪ পৌর কর্মকর্তাকে শোকজ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমিসেবা সহজ করার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর  গৃহবধু লামিয়া আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় শ্বশুর ও দুই ননদ গ্রেফতার

মানুষ যখন আগুনে ঝলসে খাবার খেতে শিখলো, কেমন ছিল সেই সময়টা

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৯

মানুষ প্রথমবারের মত যখন আগুন জ্বালাতে শিখলো, আগুনে ঝলসে খাবার খেতে শিখলো, কেমন ছিল সেই সময়টা?

আদিম জনগোষ্টিদের নিয়ে লেখা গল্পটা পড়ে নেই তাহলেঃ

সবাই মিলে বেশ বড়সড় সাইজের একটা মোষ শিকার করেছে আজ। ধারালো হাতিয়ার দিয়ে ছাড়ানো হয়েছে চামড়াগুলো। রোদে শুকিয়ে পরে ব্যবহার করা হবে। আর হাড়গুলো আলাদা করে শুকানো হবে পরে হাতিয়ার তৈরির কাজে ব্যবহারের জন্য। মাঝে কয়েকদিনের ক্ষুধার্ত সকলের চোখ যেন আনন্দে চক চক করছে। কিন্তু না, এখনই খাওয়া যাবে না।

আগুন জ্বালানো হয়েছে মাঠের মাঝে। রাতের আঁধারে সেই আগুনে আলোয় দারুণ লাগছে চারিদিক। গোত্রের ছেলে মেয়ে, শিশু বুড়ো সবাই আগুন ঘিরে নাচছে, গান গাইছে। এভাবে খাদ্যের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছে কল্পনার ঈশ্বরকে।

প্রায় এক ঘণ্টার মত আগুনে পোড়ানোর পর একজন আগুনে ঝলসানো মাংসের একটা টুকরো হাতে তুলে নিলো। মুখে দিতেই আনন্দের আতিশয্যে নেচে উঠলো। গোত্রের অন্যরা
একে একে সবাই ছুটলো ঝলসানো মাংসগুলো চেখে দেখতে। আগুনে পোড়া মাংসের স্বাদ, নরম শরীর, সে এক অদ্ভুত অনুভূতি । শুরু হলো খাবারে আগুনের ব্যবহার।

কেন যেন একা একা ঘুরতে ভাল লাগে ছেলেটার । হাঁটতে হাঁটতে পাহাড়ের মাঝামাঝিতে উঠে এসে দাঁড়ালো ছেলেটা। এই জায়গাটা প্রায় সমতল। আশপাশটায় খরগোশের গর্তে ভর্তি।
ঝোপের আড়াল থেকে একটা খরগোশের গায়ে ছুঁড়ে মারে তার তীক্ষ্ম অস্ত্র। কিছুক্ষণ আর্তনাদ করে মারা যায় খরগোশটা। মৃত খরগোশটাকে তুলে নিয়ে পিঠের ওপর রাখলো। আরো ক’টা ধরার ইচ্ছে ছিলো, কিন্তু চোখ পড়লো হঠাৎ পাহাড়ের অন্যদিকে। ওদিকটাতে কেমন যেন ছাইয়ের স্তূপ দেখছে, মনে হচ্ছে ধ্বংস হয়ে গেছে বেশ বড় একটা জায়গা,

খরগোশ ধরা বাদ দিয়ে ঐদিকটাতে গেল সে। গতকাল রাতে একটা আওয়াজ শুনেছিলো অবশ্য। আকাশ থেকে কিছু পড়ার আওয়াজ। এখন মনে হচ্ছে, ব্যাপারটা এখানেই ঘটেছে। কী যে পড়েছে, এই জায়গাটা দুমড়ে বিরাট গর্ত হয়ে গেছে, আবছা আগুনের তাপ আসছে যেন গর্ত থেকে।

আরেকটু ভাল করে দেখতে যাবে, অমনি ওর পিঠ থেকে পিছলে পড়ে গেল মৃত খরগোশের দেহটা। ছেলেটা সবকিছু ছাড়তে পারে, কিন্তু শিকার করা খাবারকে ছাড়তে রাজী না।

দ্রুত বড় একটা ডাল খুঁজে এনে, অনেক কষ্টে খোঁচাতে খোঁচাতে শেষ পর্যন্ত তুলে আনলো দেহটাকে। কিন্তু অনেকক্ষণ ধরে তপ্ত ছাইয়ের নিচে থাকায় এটা বেশ গরম। হালকা ঝলসানো অবস্থা যেন। নিজের ওপর রাগ হচ্ছিলো গ্যাক এর। কী দরকার ছিল এখানে আসার, এখন খাবারটাই নষ্ট হল!

খানিক ঠাণ্ডা হবার পর চামড়াটা ছিলে মাংসটা মুখে দিল সে। কাঁচা মাংসে অভ্যস্ত  জিভ যেন অদ্ভুত এক স্বাদ পেল। হালকা নরম অনুভূতি পেল তীক্ষ্ম শক্তিশালী দাঁত।  নিজ মনেই বলে উঠলো “দারুন তো”


এ ক্যটাগরির আরো খবর..