× Banner
সর্বশেষ
পেটে ঢুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা,আটক গাজীপুরের তরুণী টেপ বল ক্রিকেটকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে – যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাত মন্ত্রণালয়ের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন শনিবার চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি দুর্ঘটনায় পেহেলির অকাল মৃত্যুতে মা-বাবার ভবিষ্যৎ স্বপ্নের সমাধি জুলাই আন্দোলনের ত্যাগকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে – তথ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ – পানি সম্পদ মন্ত্রী সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি বেঁচে আছেন, না কি মারা গেছেন- রাশেদ খাঁন

মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহে পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে আলোচনা

SDutta
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫
সিরডাপে বক্তব্য রাখছেন বক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে এবার আলোচনা হয়েছে। বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহে এই আলোচনা হয়। তবে প্রস্তাবে তিনটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক শিশুকে পিতার সময় দিতে হবে। শিশুর যত্ন নিতে হবে। শিশুর মায়ের সেবা করতে হবে। তবেই মিলবে পিতৃত্বকালীন ছুটি।

সোমবার (১৮ আগস্ট ২০২৫) ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম এ কথা বলেন।

নূরজাহান বলেন, কর্মশালায় অনেকে মাতৃত্বকালীন ছুটির পাশাপাশি পিতৃত্বকালীন ছুটির কথা বলেছেন। আমি জানি না কয়জন মা বললেন পিতা ছুটি নিলে উনার খুব সুবিধা হবে। নাকি, আবার সকালে নাশতা দিতে হবে, দুপুরের খাবার দিতে হবে। কারণ আমি একজন মা। আমার মনে হয় না পিতৃত্বকালীন ছুটি দরকার আছে।

তিনি বলেন, ‘যদি দিতে হয় তাহলে সেখানে লিখিত শর্ত থাকবে। একজন পিতা কতক্ষণ বাচ্চাকে দেখেছেন, বাচ্চার প্রস্রাব-পায়খানা পরিষ্কার করেছেন, মায়ের সেবা করছেন—এসব লিখিতভাবে দিতে পারলে আমি রাজি আছি।’

কর্মশালার আয়োজন করে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ। সহযোগিতা করে বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশন (বিবিএফ)। বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের এবারের প্রতিপাদ্য ‘মাতৃদুগ্ধপানকে অগ্রাধিকার দিন, টেকসই সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলুন’।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য শিক্ষার সচিব ডা. সারোয়ার বারী বলেন, ‘আমাদের কর্মজীবী মায়েদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিতে হয়।

শিশুকে দুগ্ধপান করাতে অনেক কষ্ট করতে হয়। ডে-কেয়ার নেই। চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণেও ঘাটতি তৈরি হয়েছে। অনেক দেশেই পিতৃত্বকালীন ছুটি আছে। আমরাও চিন্তা-ভাবনা করছি, প্রস্তাব ক্যাবিনেটে পাঠানো হয়েছে। অন্তত চার সপ্তাহের পিতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থা করা যায়।

কর্মশালার শুরুতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিবিএফের চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ অধ্যাপক ড. এস কে রায়। তিনি বলেন, গত পাঁচ বছরে দেশে মাতৃদুগ্ধ খাওয়ানোর হার কমছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..