বোদা উপজেলায় অধ্যাপক টবি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত

এন এ রবিউল হাসান লিটন, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অধ্যাপক ফারুক আলম টবি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আশ্রাফুল আলম বোদা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় অধ্যাপক ফারুক আলম টবিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হিসেবে জয়ী ঘোষণা করেছেন।

উলেখ্য, বোদা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই বাছাইয়ের দিনে ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীকে বৈধ এবং ২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীকে অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করে রিটার্নিং কর্মকর্তা। এছারা দু’জন প্রার্থী নিজ নিজ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিলে অধ্যাপক ফারুক আলম টবি আ’লীগের দলীয় একক চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে যান। অধ্যাপক ফারুক আলম টবিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে অধ্যাপক ফারুক আলম টবি ছাত্রজীবনে উপজেলা পর্যায়ে ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন এবং রংপুর কারমাইকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ছিলেন। তিনি বোদা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২০১২ সাল থেকে বোদা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

অধ্যাপক ফারুক আলম টবি শিক্ষা জীবনে বোদা পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১৯৭৯ এসএসসি, ১৯৮১ সালে রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে এইচএসসি ও ১৯৮৩ সালে অর্থনীতি বিষয়ে সম্মান ডিগ্রী অর্জন করেন। পরে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে অর্থনীতি বিষয়ে এম এ পাস করেন। তিনি বোদা পাথরাজ মহাবিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন এবং ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সহকারী অধ্যাপক পদে কর্মরত ছিলেন।

রক্তে যার রাজনীতি সে কি রাজনীতির বাইরে থাকতে পারে। তাই তিনি সরকারী চাকুরী ছেরে রাজনীতির ময়দানে। ইতি মধ্যে বোদা পাথরাজ মহাবিদ্যালয় জাতীয় করন করা হয়েছে।

তিনি ব্যক্তিগত জীবনে দুই ছেলে সন্তানের জনক। তার দাদা ভাষা সৈনিক মরহুম ডাঃ মজাহার হোসেন রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তার পিতা মরহুম মোসাদ্দেকুল আলম খোকা রংপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এবং ভাষা আন্দোলনে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেন এবং ভাষা সৈনিক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

অধ্যাপক ফারুক আলম টবি বলেন, “আমি সরকারী চাকুরী করে আরাম-আয়েসে জীবন জাপন করতে পারতাম। আমি জনগনের সেবা করতে চাই, তাই চাকুরী ছেরে দিয়ে জনগনের সেবায় এসেছি। বোদা উপজেলা বাসি আমাকে সে সুযোগ দিয়েছে। আমি সকলের দোওয়া ও সহযোগীতা চাই।”

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।