× Banner
সর্বশেষ
জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করতে পারেন, দাবি রয়টার্সের ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬

বরিশাল-খুলনা মহাসড়ক আগৈলঝাড়া অংশে কোটি টাকার সংস্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৭

আগৈলঝাড়া(বরিশাল)সংবাদদাতাঃ  বরিশাল-খুলনা মহাসড়কের আগৈলঝাড়া অংশের ১১ কিলোমিটর সড়ক সংস্কারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার তিন মাস যেতে না যেতেই সড়কটি খানাখন্দে পরিনত হয়ে সাবেক মহাসড়কে পরিনত হয়েছে। সড়কে চলাচলকারী বাস চালক ও স্থানীয়দের অভিযোগ ঠিকাদাররা নামে মাত্র সংস্কার কাজ করেছে। যে কারনে বর্তমানে সড়কটি মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে।

বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল-খুলনা মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস থেকে পয়সারহাট বরিশাল পর্যন্ত অংশের ১১ কিলোমিটার সড়কে গর্ত সৃষ্টি হয়ে যানবাহন চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে সড়কটিতে বাস চালকদের ভোগান্তিসহ দূর্ঘটনা ঘটছে অহরহ। এ কারনে বরিশাল সওজ বিভাগ ২০১৬-২০১৭ইং অর্থ বছরে রক্ষনাবেক্ষন প্রকল্পের অধীনে সড়কের ১১ কিলোমিটার সংস্কারের জন্য দুটি প্রকল্প গ্রহন করেন।

আগৈলঝাড়া বাইপাস পূর্ব পাশ থেকে পশ্চিমে ৪ কিলোমিটর সংস্কার কাজে বাস্তবায়নের জন্য প্রভাবশালী এক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে ৬৬ লক্ষ টাকা ও বাইপাসের শেষ মাথা থেকে পয়সারহাট বরিশাল অংশের শেষ পর্যন্ত ৭ কিলোমিটর বাস্তবায়নের জন্য মেসার্স সান্টু ট্রেডার্সকে ৩৮ লক্ষ টাকায় মে মাসে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। উভয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান জুন মাসে কাজ শেষ করে চূড়ান্ত বিল উঠিয়ে নিয়ে যায়।

সওজ বিভাগের নাম না প্রকাশের শর্তে জানান, এই মহাসড়কে আগৈলঝাড়া বাইপাস থেকে পয়সারহাট বরিশাল পর্যন্ত অংশের ১১ কিলোমিটর সড়কে ক্ষতিগ্রস্থ স্থানসমূহে সিলকোট দিয়ে কোন রকম মেরামত কাজ করে শেষ করা হয়েছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাজ শেষ হতে না হতেই পুনরায় বড় বড় গর্তে পরিনত হয়েছে। এ কাজে সরকারের খরচ হয়েছে এক কোটি ৪ লক্ষ টাকা। এই সড়ক দিয়ে দক্ষিনাঞ্চলের মানুষ বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়ার একমাত্র সড়ক। বর্তমানে এই মহাসড়কের বাইপাস থেকে বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের ১১ কিলোমিটর সড়কটির বেহাল দশা। অধিকাংশ স্থানের সড়কে খানাখন্দ ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া পুরো সড়কটি পাথর পিচ উঠে গেছে। ২৫-৩০টি স্থানে ছোট বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

সড়ক দিয়ে চলাচল কারীরা জানান, সড়কটি সংস্কারের সময় ঠিকাদারের লোকজন নামে মাত্র সংস্কার কাজ করেছেন। এ কাজের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন বরিশাল সওজ’র এসও আবু হানিফ মিয়া। তারা মাঝে মধ্যে জোড়াতালি দিয়েই সড়কের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ করেছে। খুলনা-বরিশাল মহাসড়কটি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন সড়কে পরিনত হয়েছে। বর্তমানে মংলা পোর্ট থেকে বরিশাল দক্ষিনাঞ্চালের বানিজ্যিক পন্য এই সড়ক দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এ সড়কে যানবাহন চলাচলের সংখ্যা বেড়ে যায়। এছাড়া বরিশাল খুলনা, বরিশাল যশোর, বরিশাল বাগেরহাট, ঢাকা, বরিশাল গোপালগঞ্চ রুটে অসংখ্য দুরপাল্লার বাস চলাচল করেছে। সড়কটি খানাখন্দের কারনে চলাচলকারী যানবাহন ও যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ ও ভোগান্তি পোহাতে হয়। কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির এমন উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে যে কাজ শেষ হতে না হতেই পুনরায় মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে সড়কটি।

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী ঠিকাদার মো. হানিফ সরদার সাংবাদিকদের বলেন, আমি সড়কের কাজ করিনি। কাজ করেছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক। আরেক ঠিকাদার মেসার্স সান্টু ট্রেডার্সের মালিক মো. আলাউদ্দিন ভূইয়ার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে বরিশাল সওজ উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী দুলাল চন্দ্র প্রামানিকে বলেন, সংস্কার কাজের পরে বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে সমস্যা হচ্ছে। ওই সব স্থানে পূনরায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ করে দিচ্ছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..