× Banner
সর্বশেষ
৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত উত্তর ইরাকের খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার দাবি আজ ১১ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ (১১ শ্রাবণ)  ২৮ জুলাই মঙ্গলবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’

ফুলবাড়ীতে বসন্তে অপরুপ সাজে সেজেছে ৫০০ বছরের শিমুল গাছ

ACP
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৪ মার্চ, ২০২২
ফুলবাড়ীতে বসস্তে অপরুপ সাজে সেজেছে ৫০০ বছরের শিমুল গাছ

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তে ঘেঁষা দৃষ্টিনন্দন বিশাল আকৃতির শিমুল গাছটি এখনও কালের স্বাক্ষী হয়ে ঠিকে আছে। বর্তমানে বসন্তে শিমুল গাছটিতে ফুল ফুটে অপরুপ সাজে সেজেছে । ফুলের গন্ধে ভিড় করছে নানা ধরনের পাখ-পাখালী। মৌমাছির গুঞ্জরণ আর বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কলরবে মুখরিত শিমুল তলা।
বিশাল আকৃতির গাছের ফুটন্ত শিমুল ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর সংখ‍্যা। প্রায় ৮ শতাশং জমির উপর দাড়িয়ে থাকা আনুমানিক ১৫০ ফুট লম্বা শিমুল  গাছটির গোড়ার পরিধি ৫৮ হাত। বিশাল গাছের গোড়ায় দাঁড়ালে মনে হবে পাহাড়ের পাদদেশে দাঁড়িয়ে আছি। দূর থেকে তাকলেই মনে হবে অপরুপ কারুকার্য করা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌদ্ধ দাঁড়িয়ে আছে । স্নৃতিসৌদ্ধ আকৃতির গাছটি নিয়ে প্রচলিত আছে নানান লোককাহিনি।
এত বছরে গাছটির যৌবনে এখনও ভাটা পড়েনি। রাশি রাশি ফুটন্ত ফুলের অপরুপ সৌন্দর্য মোহিত করছে চারিদিক। চিরযৌবনা গাছটির সঠিক বয়স অনুমান করতে পারনি কেউ ।
তরুন,যুবক,বৃদ্ধ সকলেই জন্ম থেকে গাছটিকে একই রুপে দেখে আছছেন। কুটিচন্দ্রখানা গ্রামের ৭০ বছরের বৃদ্ধ খোকা চন্দ্র বর্মণের কাছে শোনা যায়, খোকা চন্দ্রের দাদা তার দাদার কাছে শুনেছেন,গাছটি বতর্মান সময়ে যেমন আছে সেই সময়েও ঠিক তেমনি ছিল।
কেউ কেউ  অনুমান করেছেন গাছটির বর্তমান বয়স ৫০০ বছরের মত হবে। দিনে দিনে গাছটি আরও যৌবনবতি হচ্ছে। বসন্ত আসলেই মৌমাছির চাকসহ ভিড় করে নানান প্রজাতির পাখি।
বিশেষ করে টিঁয়া পাখির অভায়াশ্রম গাছটি। বিকাল হলেই অসংখ্য টিঁয়া পাখি সহ নানা প্রজাতির পাখির কলরব মুগ্ধ করে দর্শনার্থীদের । লোককাহিনি আছে যে, এ গাছের নীচে বাস করে নাগ -নাগিনী। লুকায়িত আছে তাদের রাশি রাশি মূল‍্যবান গুপ্তধন। শোনা যায়,নারিয়া মামুদ নামে এক ব‍্যক্তি গুপ্তধন তুলতে গিয়ে অন্ধ হয়েছেন। নাগ-নাগিনীর অভিশাপের ভয়ে এতদিনেও কেউ গাছটি কাটার সাহস করেননি।
দীর্ঘদিন ধরেই এখানে নাগ-নাগিনী বাস করছে।লোকে বলে নাগ-নাগিনীর বাসস্থানের কারনেই এত বছরে গাছটিতে বয়সের ছাপ পড়েনি।
বসন্তে ফুল ফুটলে মনে হবে এটি চির যৌবনা।অসংখ‍্য ফুটন্তফুলে চারিদিকে অপরুপ শোভা ছড়িয়ে আছে। সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিনেই আসছে নানান বয়সের  দর্শনার্থী। তবে গাছটির কাছে যেতে তাদের অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে । সরু রাস্তার কারণে মোটরবাইক বা সাইকেলে যাওয়া কষ্টকর। গাছটির চারিদিকে বসতবাড়ি গড়ে উঠায় এর সৌন্দর্য্য  অনেকটা ঢাকা পড়েছে। গাছটি রক্ষা ও গাছের কাছে যাওয়ার রাস্তাটি সংস্কারের দাবী  দর্শনার্থীদের।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..