× Banner
সর্বশেষ
গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেপালে সামাজিক সম্প্রীতি ও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: কাঠমান্ডুর রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস: গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস : সরকারি ছুটি, দেশজুড়ে শ্রদ্ধা, স্মরণ ও নানা কর্মসূচি আজ বুধবার (৫ আগস্ট) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে আজ ৫ আগস্ট বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শ্যামনগরে জনসম্মুখে পোড়ানো হল জব্দকৃত চায়না দুয়ারি জাল তনু হত্যা মামলায় জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান আইসিসিআর স্কলারশিপ দুই দেশের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়বে – ভারতীয় হাইকমিশনার

মন্ত্রণালয় ঘোষিত পোশাক শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের শেষ দিন আজ

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২০
পোশাক শ্রমিকদের বেতন

শ্রম মন্ত্রণালয় ঘোষিত দেশের পোশাক শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের  শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল)। রাজধানীর অনেক পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বেতন নিতে আসেন কর্মস্থলে।

করোনা পরিস্থিতিতে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গেল মার্চ মাসের বেতন পরিশোধের আল্টিমেটাম দিয়ে গেল ১৩ এপ্রিল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

এদিকে, রাজধানীর অনেক এলাকায় কারখানা শ্রমিকদের বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও রাস্তা বন্ধ করেও বিক্ষোভ করেন তারা।

এমন অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জটিলতা নিরসের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এদিকে বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক অডিও বার্তায় তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন- বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক জানান, বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত পোশাক কারখানার ৭৮ ভাগ শ্রমিকের মার্চের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে।

বিজিএমইএ জানায়, সংগঠনটির সদস্যভুক্ত ২ হাজার ২৭৪টি কারখানার মধ্যে ১ হাজার ১৮৬টি কারখানায় বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। এতে ২৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১৭ জন শ্রমিকের মধ্যে বুধবার (১৫ এপ্রিল) পর্যন্ত মার্চ মাসের বেতন পেয়েছে ১৯ লাখ ১৯ হাজার ৬শ’ শ্রমিক।

এতে বলা হয়, দু-একটি ছোট কারখানা এখনো বেতন পরিশোধ করেনি। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩৭২টি কারখানার মধ্যে ২০১টি, গাজীপুরে ৮১৮টির মধ্যে ৪৩২টি, সাভার-আশুলিয়ায় ৪৯১টির মধ্যে ২৪৩টি, নারায়ণগঞ্জের ২৬৯টির মধ্যে ১১৮টি, চট্টগ্রামের ৩২৪টির মধ্যে ১৫৬টি ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের ৪২টি কারখানার মধ্যে ৩৬টির বেতন দেয়া হয়েছে।বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, ২০ তারিখের মধ্যে সব কারখানার শ্রমিকই বেতন পাবেন। এখনও নগদে বেতন দেওয়া হয় বেশিরভাগ কারখানায়। ব্যাংকের কর্মঘণ্টা কমে আসায় সমস্যা হচ্ছে। এ ছাড়া ছোট-মাঝারি কারখানায় বেতন পরিশোধে কিছু সমস্যা আছে। এসব কারখানাকে সহযোগিতা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, করোনার কারণে সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আদেশ বাতিল হয়েছে। হাতে কোনো কাজ নেই। অথচ ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কাঁচামাল আমদানির বিল পরিশোধের চাপ আছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..