দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনের দাবি

দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনের দাবি

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া একটি সংগঠন। ১৯৯৬ সালে জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচন দিয়ে নেতা নির্বাচন করা হয় এবং নির্বাচিত নেতারা কাজ করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পট পরিবর্তনের পর ২৩ নভেম্বর ২০০১ সাল বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসীন অবস্থায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জবরদখল করে নেয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ থেকে নেক্কার জনকভাবে বের করে দেয়া হয়। জবর দখলকারীরা বর্তমানে অনেকেই আওয়ামী লীগ নেতা; আমরা তাদের বিচার চাই। এরপর থেকে আমরা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের গণতন্ত্র হত্যা দিবস হিসেবে দিনটিকে পালন করে আসছি।

আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক আয়োজিত সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচন দাবি করেন।

তারা বলেন, আজ শোনা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের যে প্রতি স্বাক্ষরিত সনদ দিয়েছেন তা বাতিল করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। যা অত্যান্ত দুঃখ জনক। কারণ এ সনদ বাতিল না করে প্রয়োজনে তখনকার সংসদের রেজিষ্ট্রার চেক করে যেগুলো রেজিষ্ট্রারে অন্তর্ভূক্ত নাই সেগুলো যাচাই বাছাই বা বাতিল করা যেতে পারে। কিন্তু ঢালাওভাবে সকল সনদ বাতিল বা স্থগিত এটা আমাদের কাম্য নয়। কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজ হাতে স্বাক্ষর করেছেন। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা লাল বই সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য। সমাবেশ থেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটা পুনর্বহালের জোর দাবি জানান।

আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম নয়নের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক নির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’র উপদেষ্টা শফিকুল বাহার মজুমদার টিপু, বিএলএফ মুজিব বাহিনীর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব অর্থ আলহাজ্ব শরিফ উদ্দিন, সাবকে সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পাহাড়ী বীর প্রতিক, আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিম, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’র প্রেসিডিয়াম সদস্য হাজী মোঃ এমদাদুল হক, মোঃ নুরুজ্জামান ভুট্টু, সালমান মাহমুদ জসিম, সাংগঠনকি সম্পাদক মোঃ শাহিনুর করিম বাবু, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি রানা মন্ডল, মোঃ তুষার, দপ্তর সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর মোঃ বেলাল হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রুবিনা ইয়াসমিন অন্তরা, মোঃ জাকির হোসেন, ঢাকা মহানগরের সহ-সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান সালাউদ্দিন, জাহাঙ্গীর হোসেন মিলন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোঃ জাকির হোসেন, মোসাঃ নূর জাহান বেগম, ছোট নয়ন, তেজগাঁও থানার কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশারসহ অসংখ্য নেতাকর্মী।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।