ডিসেম্বরে উদ্বোধন হবে মেট্রোরেল-সেতুমন্ত্রী

ডিসেম্বরে উদ্বোধন হবে মেট্রোরেল-সেতুমন্ত্রী

এ বছরের শেষে ডিসেম্বরে মেট্রোরেল এবং আগামী ২০২৩ সালের শেষদিকে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) ঈদ-পরবর্তী প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এক্সপ্রেসওয়ের কাজে আগে ধীরগতি ছিল, এখন গতি বেড়েছে। সরকার এই প্রকল্পের অর্থায়নের সমস্যাটা দূর করেছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, সবকিছু একসঙ্গে হয় না, যারা সমালোচনা করেন, বড় বড় কথা বলেন, তাদের একটা কাজ দেখান। যে কাজটা যানবাহন চলাচল সুবিধা করে দিয়েছে। সামনে মেট্রোরেল দেখবেন, কর্ণফুলী টানেল দেখবেন।

এ সময় মহাসড়কে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে অতি প্রয়োজনে উল্লেখ করে সড়ক ও সেতু পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অনেক ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘন করেও মোটরসাইকেল চলেছে। তবে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণের কারণেই দুর্ঘটনা কমেছে।

কাদের বলেন, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মেট্রোরেল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, এবারের ঈদে সড়কের অবস্থা সারা বাংলাদেশেই ভালো ছিল। সড়কের জন্য দেশের কোথাও যানজট হয়নি। বিভিন্ন স্থানে যানজট হয়েছে ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে।

যানজট যেখানে হয়েছে সেটা হয়েছে ব্যবস্থাপনার কিছু ত্রুটির কারণে। সমন্বয়ের অভাব, ব্যবস্থাপনায় কিছু ত্রুটি রয়েছে। একটা রুটে প্রবলেমটা বেশি হয়েছে—উত্তর জনপদ। হওয়ার কথা ছিল না, কেননা আমাদের সিক্স লেন রোড অলরেডি হয়ে গেছে- এসব কথা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, এ বছর যেসব জায়গায় সড়কে ত্রুটি হয়েছে, এগুলো বিবেচনায় নিয়েই ভবিষ্যতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি মনে করেন, হাইওয়ে পুলিশ, জেলা প্রশাসন সব পক্ষেরই দায় রয়েছে এবারের যানজট ব্যবস্থাপনা ত্রুটির পেছনে।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর এক দিনে ৪৩টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। পদ্মা সেতুর ব্যাপার হচ্ছে, সেখানে কোনো গাড়ি যদি দুর্ঘটনায় পড়ে সেই গাড়িটা সরানোর জায়গা আছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেতুতে সেই জায়গাটা নেই। সেখানে সামনেরগুলো সরিয়ে গাড়ি সরাতে হয়। অনেকগুলো গাড়ি নষ্ট হয়েছিল, সেই কারণে আমরা খুবই চাপের মধ্যে ছিলাম। অনেক জায়গায় দুর্ঘটনা ঘটে যার কারণে ধীরগতির মুখে ছিল গাড়ি। যে কারণে কিছু কিছু সমস্যা হয়েছে তবে সার্বিকভাবে অন্যান্য রুটে সারা দেশে ভালো ছিল।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিজিএমইএ-বিকেএমইএকে বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল পর্যায়ক্রমে  পোশাক কারখানাগুলো ছুটি দেয়ার জন্য। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার চন্দ্রা-নবীনগর এলাকায় যানজট হয়েছে—হঠাৎ করে পোশাক শ্রমিকদের একসঙ্গে ছেড়ে দেয়ায় ভোগান্তিটা বাড়ে। পর্যায়ক্রমে ছুটি হলে সমস্যা হত না,  সেটা তারা করেনি বা করতে পারেননি।

সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সেতুমন্ত্রী।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
ACP
সংবাদ প্রতিনিধি

ACP

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।