× Banner
সর্বশেষ
ইউনেস্কোর সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে চায় বাংলা‌দেশ বেনাপোল পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মফিজুর রহমান পিন্টুর গণসংযোগ বেনাপোল দৌলতপুর সিমান্ত থেকে ১৬৯ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই, অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা: হাটহাজারীতে আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে নীরবতা নয়, চাই সম্মিলিত উদ্যোগ বিশ্ব মানব পাচার বিরোধী দিবস: মানব পাচার রোধে বৈশ্বিক অঙ্গীকারের পুনর্ব্যক্ত আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস: মানবিক বন্ধনের শক্তি উদযাপনের দিন কিয়েভসহ একাধিক শহরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আশাবাদ -ভারতের হাইকমিশনার আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায়

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি 

শৈলকুপায় জোড়া হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন, ১১ জনের কারাদন্ড

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০২২
শৈলকুপায় জোড়া হত্যা মামলা

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আলোচিত জোড়া হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত। একই সাথে ওই মামলায় আরও ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ ২৮ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোঃ শওকত হোসাইন এ দন্ডাদেশ প্রদাণ করেন।

দন্ডিতরা হলো-ওই গ্রামের কুদ্দুস মিয়া, কোবাদ হোসেন ওরফে কোবা মোল্লা, রইচ উদ্দিন, বাচ্চু মিয়া, লিক্সন হোসেন, জিকু মিয়া, কলম হোসেন, আবুল বাশাল ওরফে দরপন, রবিউল ইসলাম রবি, আলম মিয়া, হাবিবুল ইসলাম, ইকমাল মিয়া, মতি, তরুন মোল্লা, সাচ্চু হোসেন, মওলা, হুমায়ন, মারুফ হোসেন ও শাহিনুর ওরফে আগা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৫ এপ্রিল শৈলকুপা উপজেলার বৃত্তিদেবী রাজনগর গ্রামে হালখাতার চিঠি দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে ওই গ্রামের কফিল উদ্দিনকে কুপিয়ে গুরুতর যখম করে। তাকে বাঁচাতে এলে একই গ্রামের আজিম মুন্সীকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই কপিল উদ্দিন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে আজিম মুন্সী মারা যায়।

এ ঘটনায় কপিল উদ্দিনের ভাগ্নে হাবিবুর রহমান ১৭ জনকে আসামী করে শৈলকুপা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৮ জুলাই পুলিশ ১৭ জনের নামে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। বাদী নারাজি পিটিশন দিলে জুডিসিয়াল তদন্ত শেষে আরও ৩ জনকে আসামী করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্ত কুদ্দুস মিয়া, কোবা মোল্লা, রইচ ও বাচ্চুকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই মামলায় আরও ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেওয়া হয়। দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় ৪ জনকে খালাস দেয় আদালত। মামলায় এক আসামী মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

মামলায় রাষ্টপক্ষে অতিরক্তি পিপি এ্যাডভোকেট আব্দুল খালেক ও আসামী পক্ষে শামসুজ্জামান লাকী, রাশিদুল হাসান জাহাঙ্গীর ও এ এইচ এম খায়রুলজ্জামান মামলা পরিচালনা করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..