× Banner
সর্বশেষ
স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবনের স্বপ্ন, ট্রেনের নিচে তরুণী জনগণের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ৫০০ টাকার বিনিময়ে চুল বিক্রি, দুই সন্তানকে নিয়ে রেললাইনে রেহানা ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের অবদান ৬০ শতাংশে নিতে হবে – শিল্পমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যশোর সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্যসহ আটক-১ বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে – ত্রাণমন্ত্রী হাওরে বাড়বে মাছের অভয়াশ্রম, ইজারা প্রথা বাতিলের উদ্যোগ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী তরুণদের নেতৃত্বেই টেকসই হবে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন – তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বেনাপোল ইমিগ্রেশন পরিদর্শনে এসবি প্রধান, যাত্রী হয়রানি বন্ধের নির্দেশ

ডেস্ক

চীনের অঞ্চলকে ভারতের অঞ্চল হিসেবে দেখানোয় ক্ষিপ্ত চীন

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফরে চীনে

বাংলাদেশের পাঠ্যবইয়ে থাকা এশিয়ার মানচিত্রে  চীনের দুটি অঞ্চলকে ভারতের দুটি অঞ্চল হিসেবে দেখানোয়  বাংলাদেশের উপর রেগে ফায়ার চীন। বাংলাদেশের পাঠ্যবইয়ে ভুল মানচিত্র শেখানো হচ্ছে। এ নিয়ে গত বছরের নভেম্বর মাসেই বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক বার্তা দেয় চীন। বাংলাদেশ সরকারকে পাঠানো চিঠিতে চীনের দাবি, হংকং এবং তাইওয়ান চীনেরই অংশ।

চীনের দাবি, বাংলাদেশের পাঠ্যবইয়ে চীনের জ্যাংনানের অংশকে ভারতের অরুণাচল প্রদেশের অংশ অন্যদিকে জিংজিয়াং প্রদেশের আকসাই চিন অঞ্চলটিকে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে মানচিত্রে। এমনকি বাংলাদেশ জরিপ অধিদফতরের ওয়েবসাইটেও এই একই মানচিত্র রয়েছে বলে দাবি চীনের। সব মিলিয়ে উপরে বেশ খাপ্পা হয়ে রয়েছে চীন।

জানা গিয়েছে, নতুন বই ছাপানো হয়ে গিয়েছে, এই বিষয়টি চীনকে জানিয়ে নতুন করে চাপ না দেওয়ার অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। তবে পরবর্তীতে সমস্যার সুরাহা করার আশ্বাসও নাকি বেজিংকে দেওয়া হয়েছে ঢাকার তরফে।

বাংলাদেশের ইবতেদায়ী মাদ্রাসা, স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির সসামাজিক বিজ্ঞান বইতে এই ভুল মানচিত্র শেখানো হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বিষয়ে হংকং এবং তাইওয়ানের সঙ্গে বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্যেও আপত্তি প্রকাশ করেছে জিনপিংয়ের দেশ।

চীনের থেকে চিঠি পেয়েই দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কিন্তু এনসিটিবির তরফে জানানো হয়েছে, এখন আর ভুল সংশোধন করা যাবে না। কারণ এবারের মতো সমস্ত নতুন বই ছাপানোর প্রক্রিয়া শেষ। পাশাপাশি হঠাৎ করেই এমন বিষয় সংশোধন আদৌ করা যায় কিনা তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..