ভারতের রাজস্থান প্রদেশের আজমেরের বাসিন্দা রবি পারোদা। তিনি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র। ঝালওয়ারের সরকারি কলেজে পড়াশোনা করেন তিনি। বাইকের ইঞ্জিন দিয়ে তিনি তৈরি করে ফেলেছেন একটা আস্ত গাড়ি। এই সবকিছু করতে তাঁর খরচ হয়েছে মাত্র ৪০,০০০ টাকা। গ্রামের মানুষের কাছেও গাড়ি থাকবে এই স্বপ্নই দেখতেন রবি। শেষমেশ বানিয়ে ফেললেন তেমনই একটা স্বপ্নের গাড়ি।
গাড়িটির টেস্ট রানও সেরে ফেলেন তিনি। তাঁর দাবি, গাড়িটির মাইলেজ ৫০ কিলোমিটার/লিটার। চার সিটের এই গাড়ির ১৫০০ সিসি-র ইঞ্জিন। গাড়িটি যাতে বায়ো-ফুয়েলে চলে সেই চেষ্টাই আপাতত চালিয়ে যাচ্ছেন রবি।
মধ্যবিত্তের ঘরেও থাকবে গাড়ি। আর সেই লক্ষ্যেই সবথেকে সস্তার গাড়ি সামনে আনে টাটা। যার নাম দেওয়া হয় ন্যানো। যদিও সেই গাড়ি তৈরি নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। বাংলায় কারখানা তৈরি করা হলেও প্রবল বিক্ষোভে এখানে আর গাড়ি তৈরি করতে পারেনি টাটা। সেই কারখানা চলে যায় গুজরাতে।
সেখান থেকে বের হয় সবথেকে সস্তার গাড়ি। যদিও যে দাম বলা হয়েছিল সেই দামে দিতে পারেনি টাটা। বলা হয়েছিল গাড়িটির দাম হবে মাত্র ১ লক্ষ টাকা। কিন্তু গাড়িটি কেনার সময় সেটি প্রায় লাখখানেকের উপর পৌঁছে যায় দাম। ফলে ক্রমশ ন্যানোর বাজার পড়তে থাকে।
আরও একটি সমস্যা হল যে গাড়িটির ম্যানটেনেন্স। একাধিক অভিযোগ আসতে থাকে। বিক্রি কমতে থাকে। ফের একবার বাজার ধরতে টাটার তরফে গাড়িটিতে বেশ কিছু পরিবর্তন করা হয়। দাম বাড়িয়ে বেশ কয়েকটি আধুনিক মডেল নিয়ে আসা হয়। কিন্তু সেটিও বাজার ধরতে পারেনি। ফলে ধীরে ধীরে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। মুখ থুবড়ে পড়ে স্বপ্নের ন্যানো।



