জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের বিষয়ে দ্রুততম সময়ে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব শাব্বীর আহমেদ। এ আশ্বাসে ১০ দিনের জন্য আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করেছেন প্রবাসীরা।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনরত প্রবাসী প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে তার কার্যালয়ে যান।
দুপুর ২টায় সেখান থেকে ঘুরে এসে ব্রিফিংয়ে প্রবাসীরা জানান, প্রধান উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব শাব্বীর আহমেদ তাদেরকে দাবি মানার আশ্বাস দিয়েছেন।
প্রতিনিধি দলের সদস্য খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সহকারীর সঙ্গে আমাদের মৌলিক ৫ দফা দাবি নিয়ে কথা হয়েছে। দাবিগুলো নিয়ে আজকেই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিনি কথা বলবেন।
আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদলে ছিলেন, আরব আমিরাত ফেরত প্রবাসী খালিদ সাইফুল্লাহ, মির রাজিব, মিজানুর রহমান, ইয়াসিন অপূর্ব, নাঈম ও মাঈন উদ্দীন।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলামোটর মোড় থেকে একটি মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে অগ্রসর হন প্রবাসীরা। মিছিলটি ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে এলে পুলিশ তাদের ব্যারিকেড দেয়। পরে বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এখানেই তারা অবস্থান করেন। পরে রমনা জোনের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা এসে কথা বলে তাদের আশ্বস্ত করেন।
প্রবাসীরা অভিযোগ করেন, ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে প্রবাসীরাও রাস্তায় নেমেছিলেন, এতে অনেকে আহত ও গ্রেফতারের শিকার হোন। একইসঙ্গে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও প্রবাসীদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সরকারের কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই- এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের অর্থনৈতিক সহায়তা ও পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসনের দাবি জানান তারা।
আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা মাঈন উদ্দীন বলেন, আন্দোলন করে দুবাই থেকে ফেরত আসার পর বারবার চেষ্টা করেও প্রধান উপদেষ্টার দেখা পাইনি। তিনি আমাদের বারবার দেখার করার আশ্বাস দিয়েছেন। আমাদের অনেকে এখনও দুবাইতে জেলে আছেন। নতুন করে অনেকে গ্রেফতারও হচ্ছেন।



