বিশেষ প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে কে কয় সিট পাবে তা নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের জনগণ। বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কীভাবে এ ঐশীবাণী পেলেন যে, আওয়ামী লীগ ৩০ সিট পাবে। ৩০ সিট অন্যকে দিতে গিয়ে নিজেরা ৩০ সিট পেয়েছেন এর আগে।আগামী নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগ তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।
আজ শনিবার দুপুরে ফেনীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা জনগণের সঙ্গে ভালো আচরণ করেন। উন্নয়ন ওঅর্জন সরকারের ওপর ছেড়ে দিন। মানুষের সঙ্গে খারাপ আচরণ করলে আপনাদের ভয়ে এখনতারা প্রতিবাদ করবে না, কিন্তু নির্বাচনের সময় ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিবাদ করে এর শাস্তি দেবে।’‘
যাঁরা ভাবেন ২০০১ সাল আবার ফিরে আসবে, তাঁরা বোকার স্বর্গে বাস করছেন’ উল্লেখকরে সেতুমন্ত্রী বলেন, তখনকার আওয়ামী লীগ আর এখনকার আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। এ সময় তিনি দুঃসময়ের দলীয় কর্মীদের কোণঠাসা না করার জন্যও দলের নেতাদের প্রতি নির্দেশ এবং তাদের খোঁজখবর নিতে বলেন।
সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল আওয়ামী লীগের জন্য খারাপ ও দুঃসময় ছিল। হাওয়া ভবন বানিয়ে সরকারের ভেতর সরকার বানানো হয়েছিল। তারা টেন্ডারবাজি করেছে, হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করেছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় আরো বক্তব্য দেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদকএনামুল হক শামীম, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদ্স্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য জাহান আরা বেগমসুরমাসহ জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়েরতৃণমূল নেতারা।

