পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের দীর্ঘমেয়াদী ও সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র তাৎক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান পরিচালনা করে সংঘাতের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়; শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজ থেকে অন্ধকার দূর করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
গতকাল রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষের মাঝে আত্মকর্মসংস্থান ও উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ও সহিংসতা কমে আসবে।
সরকার একটি আইনি, সামাজিক, শিক্ষাগত এবং অর্থনৈতিক হোলিস্টিক অ্যাপ্রোচ (সমগ্রতাবাদী পদ্ধতি) নিয়ে এগোচ্ছে। দুর্গম এলাকায় আলো ছড়াতে ই-লার্নিং ও কোয়ালিটি এডুকেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, শিক্ষায় সমতা আনলে পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যকার বৈষম্য দূর হবে।
গণতন্ত্র ও সুশাসনের মূলনীতি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গঠনমূলক সমালোচনার পথ উন্মুক্ত করেছিলেন, যা গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য।
জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক। সমাজ ও জাতির স্বার্থের পরিপন্থী সব কর্মকাণ্ড পরিহার করে পার্বত্য অঞ্চলকে মাদকমুক্ত ও শান্তিময় করে গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফির সভাপতিত্বে সভায় সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, রিজিয়ন কমান্ডার, জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ জেলা বিএনপি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




