নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে বঙ্গভবনে আসতে শুরু করেছেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠেয় এই শপথ গ্রহণে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেল থেকেই বিভিন্ন দেশের পতাকাবাহী গাড়িতে কূটনীতিকদের বঙ্গভবনে প্রবেশ করতে দেখা যায়। এরই মধ্যে আমন্ত্রিত অতিথিদেরও আগমন শুরু হয়েছে। তাদের অভ্যর্থনা জানাতে বঙ্গভবনের ভেতরে ও প্রবেশপথে নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি।
শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবন ও আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা। পুলিশ, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) ও আনসার সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। বঙ্গভবনের প্রবেশপথ ও আশপাশের এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। নিরাপত্তার কারণে বিভিন্ন পর্যায়ে তল্লাশি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান দেখতে বঙ্গভবনের আশপাশে উৎসুক মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। কূটনীতিক ও অতিথিদের গাড়ি বঙ্গভবনে প্রবেশের সময় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান ঘিরে আগ্রহ দেখাচ্ছেন অনেকে।
আমন্ত্রিত অতিথিদের যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বঙ্গভবন ও আশপাশের এলাকায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা কার্যকর করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতির শপথবাক্য পাঠ করাবেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এর মধ্য দিয়ে তিনি দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট।



