× Banner
সর্বশেষ
বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক -বাণিজ্যমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন বিধিনিষেধ, এমপিও শিক্ষক ও ঋণখেলাপিরা অযোগ্য মোদির পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে কংগ্রেসের বিক্ষোভ, শিক্ষার্থী আন্দোলনে পুলিশি ব্যবহারের প্রতিবাদ আট অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ভ্যালু-বেইজড শিক্ষা, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ-প্রাথমিক শিক্ষার নতুন অগ্রাধিকার -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীদের জন্য হয়রানীমুক্ত বিমান সেবা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধ পরিকর -বিমান মন্ত্রী ২০২৭ সালের হজে বিমান ভাড়া কমলো ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা লক্ষ্মীপুরে সড়ক সংস্কার কাজে দায়িত্বে অবহেলায় ৪ পৌর কর্মকর্তাকে শোকজ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমিসেবা সহজ করার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর  গৃহবধু লামিয়া আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় শ্বশুর ও দুই ননদ গ্রেফতার

মাছ খেয়ে এক রাতেই ‘বুড়ি’ হয়ে গেলেন ২৬ বছর বয়সী বধূ

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২০

ভিয়েতনামের ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ থি ফুয়ং। সুখের সংসার ভালোই চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই এক সামুদ্রিক মাছ খেয়ে বুড়ি হয়ে গেলেন তিনি!

তাকে সারিয়ে তুলতে স্বামীর সব সম্পদ ব্যয় করলেও শেষ পর্যন্ত সুস্থ হতে পারেননি। সবকিছু মেনে নিয়ে স্ত্রীকেই আঁকড়ে রেখেছেন স্বামী। বর্তমানে তারা সুখেই আছেন।

ভিয়েতনাম নেট ব্রিজ নামে একটি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, তিন বছর আগে স্বামী ঘরে এনেছিলেন এক অজানা সামুদ্রিক মাছ। বেশ আগ্রহ নিয়েই থি রান্না করেছিলেন সেই মাছ। কিন্তু সেই মাছ খাওয়ার পর বদলে যায় চেহারা।

মাছ খাওয়ার পর প্রথমে তার শরীরে অ্যালার্জি দেখা দেয়। পুরো শরীর চুলকাতে থাকে। সহ্য করতে না পেরে ডাক্তারের কাছে যান। কিছু অ্যালার্জির ওষুধ নিয়ে ফিরে আসেন। এসে বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েন।কিছুক্ষণ পর তার স্বামী তাকে একজন বুড়ি হিসেবে দেখতে পান। প্রথমে তিনি ঘাবড়ে যান। কিন্তু পরে বুড়ির কণ্ঠ শুনে বুঝতে পারেন তিনি তার স্ত্রী।

এই দুরবস্থা দূর করতে বহু ডাক্তারের কাছে গিয়েছে ওই দম্পতি। কিন্তু তাতেই কোনো কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তারা চীনে যান ডাক্তার দেখাতে।

চীনের ডাক্তার জানান, তারা যে মাছ খেয়েছিলেন তাতে এক ধরণের বিষ ছিল। সেই বিষে আক্রান্ত হন স্ত্রী। এই রোগের জন্য যে ওষুধ খেতে হবে তা অনেক দামী।শেষ পর্যন্ত স্বামী তার প্রায় সব সম্পদ বিক্রি করে স্ত্রীর জন্য সেই ওষুধ কেনেন। কিন্তু তাতেও কোনো উন্নতি হয়নি।

এই দম্পতি এখন প্রায় নিঃস্ব। তবে তাতে তাদের দুঃখ নেই। স্বামীর মন্তব্য, স্ত্রী বেঁচে আছে এবং আমার আছে সেটিই এখন বড়। আর স্ত্রীর সন্তুষ্টি, এই অবস্থা স্বামী তাকে ভালোবাসে সেটিই বড়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..