× Banner
সর্বশেষ
‘দফা এক, দাবি এক ,মিলনের পদত্যাগ’ স্লোগানে সাইন্সল্যাব অবরোধ আগামীকাল জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা বেনাপোল পুটখালী সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ১৫০ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ আটক  বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল বিশ্লেষণ: কার হাতে উঠতে পারে শিরোপা? আগামী পাঁচ দিনজুড়ে বৃষ্টি, কোথাও হতে পারে অতি ভারি বর্ষণ আজ ২৯ আষাঢ় মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ১৪ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে এলডিসির টেকসই উন্নয়নে সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে অর্থায়ন ও বৈশ্বিক আর্থিক সংস্কারের আহ্বান ড. তিতুমীরের ইজতেমা ময়দানে ধর্মভিত্তিক বিশৃঙ্খলার নেপথ্যে বিপিসি চেয়ারম্যান! ঢাকায় চীনা দূতাবাসে সিপিসি’র ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

পি আই ভি

বিশ্বমানের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়তে বড় সংস্কারের ঘোষণা -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করা, শেখার ঘাটতি দূর করা এবং বিশ্বমানের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ, প্রযুক্তিনির্ভর শ্রেণিকক্ষ, নতুনভাবে পুনর্বিন্যাসকৃত কারিকুলাম, শিক্ষক উন্নয়ন নীতিমালা এবং বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে একযোগে কাজ চলছে।

প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে আগারগাঁও তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত চার মাস ধরে তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করছেন। বর্তমানে ঢাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ এবং শিক্ষা কার্যক্রমের বাস্তব অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে চলমান “দৃষ্টিনন্দন” প্রকল্পের আওতায় ঘাটতি চিহ্নিত করা ও তা সরেজমিনে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সাথে গল্প ও বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি তাদের শেখার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। অধিকাংশ শিক্ষার্থী ভালো করছে, তবে কিছু শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট বিষয়ে পিছিয়ে রয়েছে। পিছিয়ে পরা শিক্ষার্থীর প্রতি বিশেষ নজর দিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান কারিকুলামকে আরও সহজ, কার্যকর ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক করে পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে প্রশিক্ষণ, পেশাগত উন্নয়ন (CPD), কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন (KPI), দায়িত্ব, তদারকি এবং উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কাঠামোকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত শিক্ষক নীতিমালা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে।

তিনি জানান, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ভিডিও লেসন, স্মার্ট ক্লাসরুম, ফ্ল্যাট প্যানেল, তাৎক্ষণিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীর শেখার ঘাটতি চিহ্নিত করে পুনরায় শেখানোর আধুনিক ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এসময় তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়; শিক্ষার গুণগত মানে মৌলিক পরিবর্তন আনা। সরকার প্রাথমিক শিক্ষায় একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর এবং দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য আধুনিক, মানসম্মত ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় প্রাথমিক শিক্ষা,ঢাকা অঞ্চলের বিভাগীয় উপপরিচালক, ঢাকা জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, বিভিন্ন থানার থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..