× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ ভারতীয় হাইক‌মিশনা‌রের স‌ঙ্গে আইএবিডির প্রতি‌নি‌ধিদ‌লের সাক্ষাৎ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের জবাব চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ১১ দলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কা‌ছে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিজ্ঞান, ধর্ম ও সমাজের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন – স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬
ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিজ্ঞান
ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিজ্ঞান

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিজ্ঞান, ধর্ম ও সমাজের সমন্বিত ভূমিকার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

তিনি বলেন, কেবল হাসপাতাল বা চিকিৎসাসেবা দিয়ে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ সম্ভব নয়। এর জন্য দরকার বিজ্ঞান, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক অংশীদারিত্বকে কাজে লাগানো।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের জীবন আচরণ ও সামাজিক কাঠামো তৈরিতে ধর্মীয় নেতাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ইমাম, পাদ্রি এবং অন্য ধর্মীয় প্রতিনিধিরা যদি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, আচরণগত পরিবর্তন ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরামর্শ দেন, তবেই সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

ড. এম এ মুহিত জানান, বর্তমান সরকার শুরু থেকেই ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি ও ভাতার ব্যবস্থা করেছে। তবে এই সম্পৃক্ততা কেবল ভাতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজে লাগাতে হবে।

গবেষণার তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, বাংলাদেশে ধর্মীয় মূল্যবোধকে কাজে লাগিয়ে আয়োজিত ডায়াবেটিস প্রতিরোধ কার্যক্রম উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে ‘টাইপ-টু’ ডায়াবেটিসের হার প্রায় ৪২ থেকে ৪৩ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে সক্ষম হয়েছে। এটি বিজ্ঞান ও ধর্মীয় বিশ্বাসের এক অভূতপূর্ব সমন্বয়।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ সব ধর্মের নেতাদের অংশগ্রহণে এই সম্মেলনে ‘ঢাকা ডিক্লেয়ারেশন’ বা ঢাকা ঘোষণা বাস্তবায়ন বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ঢাকা রিজিনাল হাবের হেড আলী এম খান, গ্লোবাল মেটাবলিক হেলথ অ্যালায়েন্সের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. অমিত গুপ্ত, ডায়াবেটিস ইন এশিয়া স্টাডি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর আব্দুল বাসিত, আইডিএফ সাউথ-ইস্ট এশিয়ার চেয়ার ড. বংশী সাবু, জাইকার চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো, ওআইসির অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মো. আফতাব আহমেদ খোখোর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. রাজেশ নারওয়াল, ওয়ার্ল্ড ডায়াবেটিস ফাউন্ডেশনের বোর্ড মেম্বার সোবিয়া আকরাম এবং ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর পিটার শোয়ার্জ বক্তব্য রাখেন।

এছাড়াও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হাফেজ মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ মহিববুল্লাহিল বাকী নদভী, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বৌদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া, সেন্ট জন মেরি ভিয়ানি হাসপাতালের ডিরেক্টর ড. ফাদার লিন্টু ফ্রান্সিস কস্টা, শ্রী শ্রী গীতা সংঘ বাংলাদেশের সভাপতি নিত্যানন্দ চক্রবর্তী প্রমুখ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..