জাতিসংঘে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

জাতিসংঘে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার

নিউইয়র্ক, ১৬ জুলাই ২০২৬: অন্তর্ভুক্তিমূলক, সাশ্রয়ী এবং জলবায়ু-সহনশীল নগর গড়ে তুলতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সরকার। জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নিউ আরবান এজেন্ডার (New Urban Agenda) মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহাম্মদ সোহেল মনজুর।

বক্তব্যে তিনি বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ, সাশ্রয়ী আবাসন এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। বাংলাদেশের দৃষ্টিতে নগরায়ণ কেবল অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয় নয়; এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের উন্নয়ন নীতির আওতায় সাশ্রয়ী আবাসন সম্প্রসারণ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে আরও কার্যকর করা এবং টেকসই নগর অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এসব পদক্ষেপ নিউ আরবান এজেন্ডা এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যৎ নগর পরিকল্পনায় সমন্বিত স্থানিক পরিকল্পনা, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা, উদ্ভাবনী নগর অর্থায়ন, সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে নগর ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব করা সম্ভব হবে।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদার, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, টেকসই নগর উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা আরও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই নগর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার আহ্বান জানান, যেখানে উন্নয়নের সুফল থেকে কোনো মানুষ বা কোনো অঞ্চল বঞ্চিত থাকবে না।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।