× Banner
সর্বশেষ
বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসাদুজ্জামান আসাদ প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগদানের আমন্ত্রণ পর্যালোচনা করছে সরকার – পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুন্দরবনের বাঘ ও আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর – পরিবেশমন্ত্রী দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার – আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভুবন ভোলানো হাসিতে মন জয় করা তাহসিনের সাক্ষাৎ ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের টাকা জনগণের, এক টাকার অপচয়ও সহ্য করা হবে না: তথ্যমন্ত্রী হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগানো দালাল চক্র ও সিজার বাণিজ্য স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়া সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: মীর শাহে আলম

ডেস্ক

এবার ঘুম উড়েছে ভারতের মানি এক্সচেঞ্জারদের

Ovi Pandey
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৪
ভারতের মানি এক্সচেঞ্জার

বাংলাদেশে তুমুল বিক্ষোভের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর তারপরেই বাংলাদেশের গণভবনে শুরু হয় লুটপাঠ। এমনকি, বিক্ষোভকারীদের কবল থেকে রেহাই পাননি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও। তাঁর একের পর এক মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়। শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সম্বলিত বাংলাদেশি টাকা প্রত্যাহার করে পরিবর্তন করা হতে পারে বলে ভারতের মানি এক্সচেঞ্জারদের এবার ঘুম উড়েছে।

এই প্রসঙ্গে দ্য প্রসঙ্গে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, পেট্রাপোল স্থলবন্দর যাওয়ার পথে মানি এক্সচেঞ্জারের কাজের সাথে যুক্ত ৩০ বছর বয়সী অচিন্ত্য মন্ডল অভিযোগ করেন যে, গত সোমবার থেকে তাঁদের ব্যবসা “শূন্য” হয়ে গেছে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সম্বলিত বাংলাদেশি টাকা প্রত্যাহার করে পরিবর্তন করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি।

তাঁর মতে, “আমি টিভিতে দেখেছি কিভাবে বিক্ষোভকারীরা শেখ মুজিবুর রহমানের মূর্তি ভেঙে ফেলছে। এটি আমাদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। যদি বাংলাদেশ সরকার নোটগুলি প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয় তবে আমাদের বড় সমস্যা হবে।” এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি যে, পেট্রাপোল স্থলবন্দরে ১০০ টিরও বেশি মানি এক্সচেঞ্জ শপ বা কাউন্টার রয়েছে।

এমতাবস্থায়, অচিন্ত্য জানিয়েছেন যে, “আমাদের এখানে লাইসেন্সকৃত প্রতিটি মানি এক্সচেঞ্জ দোকানে ভালো টাকা মজুত রয়েছে। কিন্তু এখন কোনও গ্রাহক নেই। অন্যান্য সাধারণ দিনে, আমি প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন গ্রাহক পাই। তবে, বাংলাদেশে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে ব্যবসা স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। সোমবার থেকে তেমন কিছুই হয়নি।”

অচিন্ত্যের মতোই পেট্রাপোলের আরেকটি মানি এক্সচেঞ্জ দোকানের কর্মী অঞ্জন বৈদ্য জানিয়েছেন, “গত সোমবার থেকে, আমার মাত্র ১ জন গ্রাহক ছিল। অন্যান্য দিনে হাজার হাজার জন্য সীমান্ত অতিক্রম করেন এবং আমরা ব্যস্ত থাকি। আমি প্রতিদিন কমপক্ষে ৮০ জন গ্রাহক পেতাম। তবে এখন আমরা জানি না কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।” তিনি আরও বলেন, “পেট্রাপোলের পাশাপাশি কলকাতার অনেক দোকানেও কোটি কোটি বাংলাদেশী টাকা আছে। ওই দোকানের মালিকরা এখন দু’টি চিন্তার সম্মুখীন। প্রথমত, কোনও গ্রাহক নেই, এবং দ্বিতীয়ত বাংলাদেশে এই টাকা প্রত্যাহারের ভয়।”

এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি যে, মানি এক্সচেঞ্জাররা ভারতীয় রুপিকে বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তর করেন (বর্তমান বিনিময় হার: ১০০ রুপিতে ৭০ টাকা) এবং তাঁরা ডলারও এক্সচেঞ্জ করে থাকেন। এদিকে, বাংলাদেশের বিক্ষোভের পর সীমান্তে রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে চায়ের স্টলগুলিও রীতিমতো খালি রয়েছে। গত সোমবার বিকেল ৩ টে থেকে বাণিজ্য বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার থেকে পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পণ্যবাহী যান চলাচল শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিষয়টির পরিপ্রেক্ষিতে, পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি কার্তিক চক্রবর্তী জানিয়েছেন যে, “স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং BSF-এর অনুমতির পর, আমরা বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বাণিজ্য শুরু হওয়ার আশা করছি।”


এ ক্যটাগরির আরো খবর..