উপকূলীয় সমস্যা চিহ্নিত করণ ও সমাধান শীর্ষক কর্মশালা

উপকূলীয় সমস্যা চিহ্নিত করণ ও সমাধান শীর্ষক কর্মশালা
উপকূলীয় সমস্যা চিহ্নিত করণ ও সমাধান শীর্ষক কর্মশালা
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়নের কাছিহারানিয়া গ্রামে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহযোগিতায় উপকূলীয় অঞ্চলের সমস্যা চিহ্নিত করণ ও সমাধানে করনীয় শীর্ষক অভিযোজন পরিকল্পনা তৈরি বিষয়ক কর্মশালা বুধবার ( ১৯ আগস্ট)  সকালে অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রস্তাবিত এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারের তত্ত্বাবধায়ক রিতা রানী মিস্ত্রির  সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আটুলিয়া আব্দুল কাদের স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক কিশোর কুমার মৃধা।
এসময়ে আরো বক্তব্য রাখেন বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য  সাহিদা পারভীন, শতবাড়ির সদস্য যমুনা রানী, শিক্ষক, সমাজসেবকসহ প্রমুখ।
উক্ত কর্মশালায় এলাকার বিভিন্ন ধরনের সমস্যা যেমন- পানির সংকটের ক্ষেত্রে সেচের পানি, ব্যবহারের পানি ও সুপেয় পানির অতিমাত্রায় সমস্যা উল্লেখ করেন।
কৃষির ক্ষেত্রে বীজের সংকট, পোকামাকড়ের আক্রমণ,  রাসায়নিক সার কীটনাশকের প্রভাব, কৃষি পন্যের বাজারমূল্য কম, জৈব পদ্ধতিতে ফসল চাষাবাদের প্রশিক্ষণের অভাব রয়েছে যা কৃষিকে হুমকিতে ফেলছে। এছাড়া এসময়ে অবকাঠামোগত সমস্যা, সামাজিক সমস্যা ও স্বাস্থ্যগত নানা বিধ সমস্যা উঠে আসে।
কর্মশালায় বারসিক কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ জোয়ারদার বলেন, বারসিক জন নেতৃত্বে উন্নয়নকে গুরুত্ব দেয়।  এলাকার উন্নয়নে কি ধরনের কাজ করা জরুরি তা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মতামতকে বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়। এলাকার সমস্যার আলোকে কার্যকরী সমাধান এলাকার মানুষ দিতে পারে। উপকূলে সমস্যা আছে হাজারও, সমাধানে এলাকার মানুষ তার নিজস্ব জ্ঞান, দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজের মত করে টিকে থাকার লড়াই করে যাচ্ছে৷
অংশগ্রহণকারী ঝরনা রানী বলেন, আমরা সকলে কৃষির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু কৃষির উপযোগী পরিবেশ দিন দিন এখন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
এসব সমস্যা বিভিন্ন অভিযোজন পদ্ধতির মাধ্যমে সহজে মোকাবিলা করার উপায় আমরা জানতে পারলে আমাদের পারিবারিক কৃষিকে আরো সফল ভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো।
ইউপি সদস্য সাহিদা পারভীন বলেন, আমাদের এলাকায় হাজারো সমস্যা রয়েছে। দলবদ্ধভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করলে অনেক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।
প্রভাষক কিশোর কুমার মৃধা বলেন, শুধু মানুষ নয়, মানুষের পাশাপাশি পশুপাখি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে। নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন বন্ধ করতে হবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় রাসায়নিকমুক্ত চাষাবাদে সবাইকে আগ্রহী হতে হবে। এ জন্য মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। সম্মিলিত উদ্যোগেই একটি সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
ACP
লেখক / প্রতিবেদক

ACP

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।