৮০০ বছর পর ১৬ থেকে ২৫ ডিসেম্বর শনি ও বৃহস্পতি গ্রহ এই প্রথম কাছাকাছি আসবে। রাইস ইউনিভার্সিটির পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের অধ্যাপক ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী প্যাট্রিক হার্টিগান এক বিবৃতিতে জানান, শনি ও বৃহস্পতি গ্রহ দুটি কাছাকাছি আসা এক ধরনের বিরল ঘটনা।
সাধারণত ২০ বছর পর পর গ্রহ দুটি কাছাকাছি আসে। তবে এবারের ঘটনা একেবারেই আলাদা। ১২২৬ খ্রিস্টাব্দের ৪ মার্চের পর এবারই এতো কাছাকাছি আসতে যাচ্ছে গ্রহ দুটি।
গত গ্রীষ্ম থেকেই পৃথিবীর আকাশ থেকে বৃহস্পতি ও শনির কাছাকাছি এগিয়ে আসার ঘটনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সূর্যাস্তের এক ঘণ্টা পর পশ্চিম আকাশে এ দৃশ্য দেখা যায়।
রাইস ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিদ প্যাট্রিক হার্টিগান এক বিবৃতিতে বলেছেন, “এই দুটি গ্রহের মধ্যে প্রান্তিককরণ বিরল, প্রতি ২০ বছরে একবার ঘটে, তবে গ্রহগুলির একে অপরের নিকটে কতটা কাছাকাছি উপস্থিত হওয়ার কারণে এই সংমিশ্রণটি খুব বিরল,”
তিনি বলেন, “এর আগে আপনাকে রাতের আকাশে দৃশ্যমান এই বিষয়গুলির মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সারিবদ্ধতা দেখতে ১২ মার্চ, ১২২৬ সালের ভোর হওয়ার ঠিক আগেই যেতে হবে”।
তবে এবারের ঘটনা একেবারেই আলাদা। ১২২৬ খ্রিস্টাব্দের ৪ মার্চের পর এবারই এতো কাছাকাছি আসতে যাচ্ছে গ্রহ দুটি। গত গ্রীষ্ম থেকেই পৃথিবীর আকাশ থেকে বৃহস্পতি ও শনির কাছাকাছি এগিয়ে আসার ঘটনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সূর্যাস্তের এক ঘণ্টা পর পশ্চিম আকাশে এ দৃশ্য দেখা যায়।
২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় পূর্ণ চাঁদের ব্যাসের থেকেও গ্রহ দুটির মধ্যকার দূরত্ব কম থাকবে, পৃথিবী থেকে জোড়া গ্রহের মতো দেখাবে গ্রহ দুটিকে। টেলিস্কোপ দিয়ে দেখলে গ্রহ দুটির বড় উপগ্রহগুলোও দেখা যাবে। পৃথিবীর নিরক্ষীয় অঞ্চলে সবচেয়ে পরিষ্কারভাবে দেখা মিলবে এ দৃশ্যের।