স্ট্রোকের লক্ষণগুলি উপেক্ষা করবেন না

স্ট্রোকের লক্ষণগুলি উপেক্ষা করবেন না

স্ট্রোক বিলম্বিত করার অর্থ স্থায়ী মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে। তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ভর্তির ফলে রক্ত ​​জমাট বাঁধা বন্ধ করার ওষুধ বা অন্যান্য চিকিৎসা প্রদান করা যেতে পারে যা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে।

স্ট্রোক: স্ট্রোক, বা মস্তিষ্কের আক্রমণ, একটি গুরুতর এবং জীবন-হুমকিস্বরূপ অবস্থা। এটি তখন ঘটে যখন মস্তিষ্কে রক্ত ​​প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে মস্তিষ্কের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই পরিস্থিতিতে, প্রতিটি মিনিট গুরুত্বপূর্ণ, কারণ যত তাড়াতাড়ি চিকিৎসা নেওয়া হয়, তত তাড়াতাড়ি সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি।

জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (NHM) স্ট্রোকের লক্ষণগুলি উপেক্ষা করার বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয়, কারণ তাড়াতাড়ি সনাক্তকরণ এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ জীবন বাঁচাতে পারে। অতএব, NHM একটি সহজ এবং কার্যকর প্রতিরোধ সূত্র সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে।

স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণগুলি মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হল “উদ্ধার”।

স্ট্রোক বিলম্বিত করার অর্থ স্থায়ী মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে। তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ভর্তির ফলে রক্ত জমাট বাঁধা বন্ধ করার ওষুধ বা অন্যান্য চিকিৎসা প্রদান করা যেতে পারে যা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে।

স্ট্রোক প্রতিরোধ করতে, রক্তচাপ, চিনি এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখুন, ধূমপান এবং অ্যালকোহল ত্যাগ করুন, নিয়মিত ব্যায়াম করুন এবং সুষম খাদ্য খান।

B মানে বাহু (বাহুতে দুর্বলতা): ব্যক্তিকে উভয় বাহু তুলতে বলুন। যদি একটি বাহু ঝুলে পড়ে বা দুর্বল দেখায়, তবে এটি স্ট্রোকের লক্ষণ।

C মানে মুখ (অসম মুখ): ব্যক্তিকে হাসতে বলুন। মুখের একপাশ ঝুলে পড়লে বা অসম দেখা দিলে মনোযোগ দিন।

A মানে কণ্ঠস্বর (কথা বলতে অসুবিধা): ব্যক্তিকে একটি সহজ বাক্য বলতে বা পুনরাবৃত্তি করতে বলুন। যদি কণ্ঠস্বর অস্পষ্ট, তোতলামিপূর্ণ বা কথা বলতে অসুবিধা হয়, তবে এটি গুরুতর বিপদের লক্ষণ।

V মানে সময় (সময়): যদি উপরের কোনও লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে অবিলম্বে সময় নষ্ট করবেন না। 108 নম্বরে কল করুন, অ্যাম্বুলেন্স কল করুন এবং নিকটতম হাসপাতালে যান (যেখানে সিটি স্ক্যান পাওয়া যায়, যেমন জেলা হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজ)।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই লক্ষণগুলি হঠাৎ দেখা দেয় এবং বেশিরভাগই শরীরের একপাশকে প্রভাবিত করে। অন্যান্য লক্ষণগুলির মধ্যে থাকতে পারে হঠাৎ ভারসাম্য হারানো, ঝাপসা দৃষ্টি, বা তীব্র মাথাব্যথা।

স্ট্রোককে “নীরব ঘাতক” বলা হয় কারণ এটি কখনও কখনও কোনও সতর্কতা ছাড়াই আক্রমণ করে, তবে “প্রতিরোধ” সূত্র ব্যবহার করে 90 শতাংশেরও বেশি ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করা সম্ভব।

 

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
SDutta
লেখক / প্রতিবেদক

SDutta

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।