ডাসার প্রতিনিধি : বাংলাদেশের তরুন যুবকেরা কৃষি কাজের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে, সাফল্যের দুয়ার খুলে দিচ্ছে নিত্য নতুন করে। কৃষিকে ভালবেসে সময় ও ন্যায় নিষ্ঠার সাথে কাজ করে চলছে অবিরাম। ” সফলতাতো আর আপনি এসে ধরা দেয় না । একে ছিনিয়ে আনতে হলে, চাই কঠোর পরিশ্রম।”
ঠিক তেমনি একজন সফল ব্যক্তির কথা বলছি, মো: সানাউল্লাহ দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে দেশে এসে কিছু করার প্লান করছে, যেই ভাবনা সেই কাজ কিনলেন ৬০ শতক জায়গা। সেখানে গড়ে তুলেন হাঁসের খামার ও পুকুরে মৎস্য চাষ। প্রাথমিক পর্যায়ে ভাল ফলাফল আসলে, সমন্বিত খামারে দিকে ধীরে ধীরে অগ্রসর হলেন৷ বাড়ালেন জায়গার পরিধি, বর্তমানে কৃষি খামারের সর্বমোট জায়গার পরিমান ২০০ শতাংশ। সেখানে রয়েছে, একটি কোয়েল পাখির খামার, একটি টার্কী মুরগীর খামার, তিনটি মুরগির খামার। তাছাড়া মুরগি ও কোয়েল পাখির ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদন করার তিনটি ইনকিউবেটর মেশিন। সেখান থেকে নিজের খামারের চাহিদা মিটিয়ে বাচ্চা বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন। মাছ উৎপাদন ও বড় করার জন্য পাঁচটি পুকুর। পুকুরপাড়ে শাড়িবদ্ধভাবে মাল্টাগাছ ও ফলজ বৃক্ষ রোপন করছেন। এছাড়াও পুকুরপাড়ে করেছেন শাক-সবজি চাষ। তাছাড়া গড়ে তুলেছেন, গরুর খামার ও একটি ছাগলের খামার।
মোঃ সানাউল্লাহ কোন রকম প্রশিক্ষণ ছাড়াই, সকল খামার গড়ে তুলেছেন। শুধু ইউটিউবে ভিডিও দেখে। পাননি উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কোন প্রকার সহায়তা।
তবুও থেমে নেই সাফল্য। প্রতিনিয়ত কৃষিকে প্রসারিত করে চলছেন। এতে করে নিজে যেমন লাভবান হচ্ছেন, পাশাপাশি তার ফার্মে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ছে। তার সার্বিক সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে, এলাকার অনেক বেকার যুবক কৃষি পেশায় জড়িত হচ্ছে। মোঃ সানাউল্লাহ হতে পারেন, ডাসারে কৃষিক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ।




